রোহিঙ্গা পাচারে জড়িত একই পরিবারের ৬ জনসহ গ্রেফতার ৭, ইয়াবা মুদ্রা স্বর্ণ ও সিএনজি জব্দ

রোহিঙ্গা পাচারে জড়িত একই পরিবারের ৬ জনসহ গ্রেফতার ৭, ইয়াবা মুদ্রা স্বর্ণ ও সিএনজি জব্দ

নূরুল হক, টেকনাফ
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বিজিবির আলাদা অভিযানে ইয়াবা, মিয়ানমারের মুদ্রা ‘কিয়াত’, স্বর্ণ, সিএনজি ও নারীসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

১৩ মে (শুক্রবার) ভোর রাতে টেকনাফের কেরনতলী ও দমদমিয়া চেকপোস্ট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

টেকনাফস্থ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, শুক্রবার ভোর রাতে টেকনাফস্থ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদে টেকনাফ সদরের কেরুনতলীর নাফনদী সংলগ্ন একটি বাড়িতে মাদক মজুদের সংবাদে অভিযানে যায়। এসময় বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ২ লাখ ৩০ হাজার ২০০ মিয়ানমার মুদ্রা কিয়াত, পাচার রোহিঙ্গা ভিকটিমদের থেকে জোরপূর্বক রাখা ১৪ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ টেকনাফ বরইতলীর মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে মোঃ শফি উল্লাহ (৫৫), মোঃ শফি উল্লাহর ছেলে আনোয়ার হোসাইন (১৯), মোঃ শফি উল্লাহর স্ত্রী তৈয়বা বেগম (৪০), আনোয়ার হোসাইনের স্ত্রী লাকি আক্তারকে (১৯) আটক করা হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটকদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হ্নীলা চৌধুরী পাড়া স্লুইচ গেইটে লুকানো অবস্থায় আরও ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি অধিনায়ক জানান, আটককৃতরা পূর্ব থেকে পারিবারিক ভাকে মাদক চোরাচালান এবং রোহিঙ্গাদের মায়ানমারসহ বিদেশ পাচারে জড়িত রয়েছে। এ পর্যন্ত আনুমানিক ১৫০/১৬০ জন মায়ানমার নাগরিক রোহিঙ্গাদের বিদেশ পাচার করেছে বলে স্বীকার করেছে।

এছাড়াও একইদিন ভোর রাতে টেকনাফ দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্টে প্রধান সড়কে টেকনাফগামী একটি সিএনজি তল্লাশী করে শরীরের বিভিন্ন অংশে অভিনব কায়দায় ফিটিং অবস্থায় ৬০০ পিস ইয়াবা, একটি সিএনজি ও ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ হ্নীলা ইউনিয়নের উত্তর লেদার শফিক আহমদের ছেলে মোঃ পারভেজ (১৬), সোলতান আহমদের ছেলে মোঃ জালাল (২৬) এবং রাহমত আলীর ছেলে মোঃ রেদোয়ানকে (১৯) আটক করা হয়।

বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, উদ্ধার ইয়াবা, মিয়ানমার মুদ্রা, সিএনজিসহ আটকদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করে সংশ্লিষ্ট আইনে আলাদা মামলা করা হবে। এছাড়া জব্দ করা স্বর্ণ জেলা প্রশাসকের ট্রেজারী শাখায় জমা দেয়া হবে।