নোয়াখালীতে আবারও গৃহবধূ ধর্ষণ, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের ঘটনা নিয়ে দেশে তোলপাড় চলছে। এর মধ্যে জেলার সেনবাগ ও চাটখিলে অন্তঃসত্ত্বাসহ দুই গৃহবধূকে ধর্ষণ ও বিবস্ত্র করে ভিডিও করার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের শিকার দুই নারী থানায় মামলা করেছেন।

জানা গেছে, চাটখিলে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার নোয়াখলা ইউনিয়নের স্থানীয় বাজার থেকে অভিযুক্ত মুজিবুল রহমান শরীফকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আজ ভোরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে নির্যাতনের শিকার ওই নারী চাটখিল থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

গ্রেপ্তাকৃত শরীফ উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি।

এদিকে সেনবাগে আরো একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মামলার পর পুলিশের অভিযানে এ পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযুক্ত বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।

এদিকে গত ৯ অক্টোবর উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে সেনবাগ থানায় মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই নারী বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শুভ (১৮), রকি (১৭) ও হাছানকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে।

তবে মামলার মূল আসামি পারভেজকে (২৫) গ্রেপ্তার করতে পারেনি।