টমটম চালক দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ, জনতার হাতে ধরা একজন

বিধবাকে ইয়াবা খাইয়ে রাতভর ধর্ষণ করল চার যুবক

নিজস্ব সংবাদদাতা, চকরিয়া
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দুই বন্ধু মিলে ধর্ষণ করার অভিযোগ মিলেছে। এই ঘটনায় ধর্ষিতার ভাই বাদী হয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুইজনকে অভিযুক্ত করে চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন।

মামলায় অভিযুক্ত দুই যুবকের মধ্যে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উত্তর ঘুনিয়া গ্রামের মো. কামালের ছেলে শেফায়েত হোসেনকে (২২) জনতার সহায়তায় আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। অপর অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন (২১) পলাতক রয়েছে। সে একই ইউনিয়নের দিগরপানখালী গ্রামের মো. আবছারের ছেলে। তারা দুইজনেই টমটম চালক।

অভিযোগ মতে, গত রোববার ভাবীর সাথে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই কিশোরী। বিকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘুনিয়া এলাকার টমটম চালক শেফায়েত তার বন্ধু মহিউদ্দিনসহ কিশোরীকে ফুসলিয়ে কক্সবাজার বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে হোটেলে নিয়ে তিনদিন অবস্থান করে। হোটেলে দুই বন্ধু মিলে তিনদিন ধরে তাকে ধর্ষণ করে।

অভিযোগে জানানো হয়, এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা দুইবন্ধু মিলে বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে তার বাড়িতে পৌছে দিতে যায়। বাড়ির কাছাকাছি পৌছার পর রাস্তার পাশে স্থানীয় লোকজনকে দেখে সে চিৎকার করে কান্না শুরু করে দেয়। এক পর্যায়ে দুই যুবক পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন শেফায়েত হোসেনকে পাকড়াও করলেও মহিউদ্দিন পালিয়ে যায়।

চকরিয়া থানার পুলিশের পরির্দশক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নাম্বার-৩২, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০।

তিনি জানান, একজন আটক রয়েছে, অপর আসামীকে ধরতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

ধর্ষিতা কিশোরীকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!