চকরিয়ায় সন্ত্রাসি হামলায় আহত জসিমকে দেখতে গেলেন মেয়র মুজিব ও রেজাউল করিম

চকরিয়ায় সন্ত্রাসি হামলায় আহত জসিমকে দেখতে গেলেন মেয়র মুজিব ও রেজাউল করিম

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ায় বসতভিটা দখলে নিতে হামলাকারি সন্ত্রাসিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন কক্সবাজার পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম।

তাঁরা দু’জনই মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই হামলায় গুরুতর আহত জমি ও বাড়ির মালিক জসিম উদ্দিনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে এই আহবান জানিয়েছেন।

নেতাদ্বয় চকরিয়া পৌর এলাকার করিয়ারঘোনার জসিম উদ্দিন ও তার পরিবারের আহত সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

নেতাদ্বয় আশা করেন, আইনশৃংখলা বাহিনী বসতভিটা দখলে জসিম উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলাকারিদের দ্রুততর সময়ে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ সেপ্টেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে চকরিয়া পৌরসভার করিয়ারঘোনা এলাকার আবদুল গণির ছেলে জসিম উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসি। ওই সময় হামলাকারিদের এলোপাতাড়ি আঘাতে জমির মালিক জসিম উদ্দিনসহ পরিবারের ৫ জন গুরুতর জখম হন। তাদের মধ্যে দুইজনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ও অন্য তিনজনকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হামলায় আহতরা হলেন করিয়ারঘোনা এলাকার আব্দুল গণির ছেলে জসিম উদ্দিন, তার স্ত্রী মুরশিদা বেগম, নুরুল হোছাইন, আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার লক্ষী। তাদের মধ্যে সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকা দুইজনের অবস্থা খুবই শংকটাপন্ন।

হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুযন্ত্রণায় ভোগা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘করিয়ারঘোনা এলাকার নুরুল আজিম নামে এক ব্যক্তি আমাদের বসতভিটায় তার অংশ আছে বলে দাবি করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে চকরিয়া পৌরসভায় একটি অভিযোগও তারা দিয়েছিল। চকরিয়া পৌরসভার মেয়র তখন তাদের জানিয়েছিলেন, আমাদের বসতভিটাতে তারা কোন ধরণের জমি পাবে না।’

আহত জসিম উদ্দিন জানান, তার পিতা ছেলেদের নিয়ে ওই বসতভিটায় ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ জমি আছে বলে রোববার দুপুরে তাদের নির্মাণাধীন বাড়িতে ভাংচুর চালায়। ওই সময় বাধা দিলে ভাড়াটে সন্ত্রাসিদের নিয়ে হামলে পড়ে নুরুল আজিম।

আহত জসিম উদ্দিন দাবি করেন, ওই ঘটনায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অন্তত ৩০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসি তাদের বাড়িঘর ভাঙতে ও হামলা চালাতে ভাড়া করেছিল নুরুল আজিম। ওই সময় যারা হামলা করেছে তাদের প্রত্যেককে চিনতে পেরেছেন হামলায় আহতরা।

হামলাকারিরা হলো করিয়ারঘোনা এলাকার মৃত আক্তার হোসেনের ছেলে নুরুল আজিম, তার ছেলে হিরু, জিসান, আব্দুল সাত্তারের ছেলে মিজান, জাফর আলম, ছৈয়দ, ওসমান ও লালু। এছাড়াও নাম না জানা অনেকেই হামলায় অংশ নিয়েছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!