কক্সবাজারে হানিমুনে এসে সমুদ্র পরিস্কারে নামলেন ওরা!

কক্সবাজারে হানিমুনে এসে সমুদ্র পরিস্কারে নামলেন ওরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে এক নবদম্পতি হানিমুন বাদ দিয়ে নামলেন সৈকতের আবর্জনা পরিষ্কারে৷ কাজটি করলেন বিয়ের পোশাকে, যাতে করে মানুষের নজরে আসেন এবং অন্যরা পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে উদ্বুদ্ধ হন৷

সদ্য বিয়ের পর সমুদ্রবিলাসে যাবার সিদ্ধান্ত নেন মোঃ তারেক আজিজ ও জান্নাতুল বাকেয়া মিলি দম্পতি৷ সঙ্গে তাদের বিয়ের পোশাক৷ তবে এ এক ভিন্ন বিলাস, যেখানে নিজেদের ভালোবাসা তারা ভাগবাটোয়ারা করেন প্রকৃতির সঙ্গে৷ অন্য মানুষের ফেলে যাওয়া আবর্জনা পরিষ্কারে নেমে পড়েন কক্সবাজারের সৈকতে৷

খোঁজ নিয়ে যানা গেছে, এই দম্পতির বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে।

কক্সবাজারে হানিমুনে এসে সমুদ্র পরিস্কারে নামলেন ওরা!

বিয়ের রাতে যখন নবদম্পতিরা ভবিষ্যত সুখি জীবনের গল্প সাজাতে ব্যস্ত থাকেন, তখনই এমন একটি উদ্যোগ নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারেক-মিলি দম্পতি৷ গেল ৩ আগস্ট বিয়ে হয় ২৮ বছর বয়সী তারেক ও ২০ বছর বয়সী মিলির৷ আর ৫ আগস্ট সমুদ্র সৈকতের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামেন তারা৷

তারেক আজিজ মুঠোফোনে কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে বলেন, ‘চারদিন কক্সবাজারে ছিলাম৷ প্রতিদিনই বিচে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে সেখানে কর্তৃপক্ষের দেয়া নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলেছি৷’

তিনি বলেন, ‘এমন ভাবে চার পাঁচ বস্তা ময়লা সংগ্রহ করেছি৷’

কক্সবাজারে হানিমুনে এসে সমুদ্র পরিস্কারে নামলেন ওরা!

কাজের ফাঁকে ‘ক্লিন ওয়ার্ল্ড, গ্রিন ওয়ার্ল্ড’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে ছবি তোলেন তারেক ও মিলি৷ তাদের মূল লক্ষ্য ছিল সচেতনতা তৈরি৷ তারেক আজিজ বলেন, ‘আমি মূলত সবাইকে সচেতন করতে চেয়েছি৷ সেই উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা।’

স্বামী-স্ত্রী দু’জনই সমাজসেবার কাজ করেছেন আগেও৷ নানান সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে ছিলেন যুক্ত৷ সম্প্রতি জাগো ফাউন্ডেশনের অঙ্গ সংগঠন ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ এর চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি হিসেবে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করে যাচ্ছেন। করোনার লকডাউনের সময় মানুষকে খাবার পৌঁছৈ দিয়েছেন৷

তার মতে, পৃথিবীটা আগের মত সুন্দর হোক, পরিষ্কার থাকুক, এতটুকুই চাওয়া আমাদের৷

কক্সবাজারে হানিমুনে এসে সমুদ্র পরিস্কারে নামলেন ওরা!

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!