রিমান্ডে থাকা সাহেদের বিরুদ্ধে আবারও গ্রেফতারি পরোয়ানা

আদালতে কেন কাঁদলেন ‘রিজেন্ট’ সাহেদ, বললেন ‘আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত’!

করোনা টেস্টে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদের বিরুদ্ধে ফের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান বাদীর মামলা আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার মেহেদী মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ তথ্য জানান।

মেহেদী বলেন, ‘২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন এক ব্যবসায়ী। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এ নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে তিন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো। বর্তমানে সাহেদ প্রতারণার মামলায় রিমান্ডে রয়েছেন।’

এর আগে গত ১৩ জুলাই তিন কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দুটি মামলা করে মাসুদ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ওই দুই মামলায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত ১৬ জুলাই সাহেদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পায়। এর একদিন পর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও এর মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!