করোনা : যে ৫ লক্ষণ দেখা দিলেই ভর্তি হতে হবে হাসপাতালে

করোনা : যে ৫ লক্ষণ দেখা দিলেই ভর্তি হতে হবে হাসপাতালে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে থেকেও অনেকে সেরে উঠছেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দ্রুত হালকা থেকে খারাপের দিকে যেতে পারে এবং হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। সংক্রমণের প্রথম সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সময়ে লক্ষণগুলো একে একে প্রকাশ পেতে থাকে। যাদের মধ্যে হালকা লক্ষণ দেখা দেয় তাদেরও সতর্ক থাকা উচিত, কারণ যেকোনো সময়ই তা মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রকাশ করেছে এমন কিছু লক্ষণের কথা, যেসব লক্ষণ দেখা দিলে করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে-

নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হলে

শ্বাসকষ্ট এবং বুকে ব্যথা ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। করোনাভাইরাস শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ। ভাইরাসটি শ্বাসনালীর উপরের ট্র্যাক্ট এবং সুস্থ কোষগুলোকে আক্রমণ করে, যা শ্বাস নিতে অসুবিধা সৃষ্টি করে। যদি একটু পরিশ্রমেই আপনার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, হাঁটলে বা সিঁড়ি ভাঙলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তবে দ্রুত সতর্ক হোন। চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং সংক্রমণ আরও খারাপ হওয়ার আগেই উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

অক্সিজেনের স্তর কমে গেলে
যেকোনো অসুস্থতায়ই অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি নিউমোনিয়ায়ও আক্রান্ত হতে পারেন। যা ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে ঘনঘন অক্সিজেনের মাত্রা মেপে দেখা হয়। ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের ক্ষেত্রে, অক্সিজেনের মাত্রা বেশ দ্রুত কমে যেতে পারে। যদি আপনার অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় তবে শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে এবং এর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি।

মস্তিষ্কে চাপ বা বিভ্রান্তি
করোনাভাইরাস মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে হালকা উপায়ে প্রভাবিত করে। এটি আপনার অনুভূতিশক্তিকে পুরোপুরি পরিবর্তন করে দিতে পারে। বিভ্রান্তি, নিদ্রাহীনতা, ক্লান্তি ইত্যাদি এক্ষেত্রে খুব কমন লক্ষণ। যদি সহজ কোনো কাজ করতেও রোগীর অসুবিধা হয়, কোনো বাক্য স্পষ্ট করে না বলতে পারে তখন দ্রুত হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা উচিত।

বুকে ব্যথা
যেকোনো ধরণের বুকে ব্যথা কখনো হালকাভাবে নেয়া উচিত নয়। করোনাভাইরাস ফুসফুসের মিউকোসাল লাইনিংকে আক্রমণ করে এবং অনেক ক্ষেত্রে এটি বুকের ভেতরে এবং এর আশেপাশে একটি সঙ্কোচিত ব্যথা বা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ব্যথা যদি অসহনীয় হয়ে ওঠে বা কোনো ধরণের অস্বস্তির কারণ হয় তবে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নেয়া উচিত।

নীলচে ঠোঁট
ঠোঁট বা মুখের অংশগুলো ফ্যাকাসে নীল হয়ে যাওয়া এমন একটি লক্ষণ যা অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস পাওয়া বোঝায়। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

অন্য যেসব লক্ষণ নজরে রাখা উচিত
উপরের উপসর্গগুলো ছাড়াও, বিদ্যমান লক্ষণগুলোর অবনতি বা নতুন কোনো লক্ষণের উপস্থিতি (যেমন গন্ধ বা স্বাদ অনুভূতি হ্রাস, ডায়েরিয়া) দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!