রামুতে করোনা শনাক্তে ১০১৮ জনের নমুনা, আক্রান্ত ২৩৬, সুস্থ ১১০

‘করোনা জয়’ করে বাড়ি ফিরলেন কক্সবাজার ও নাইক্ষ্যংছড়ির ৯ জন

মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, রামু
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

মহামারি করোনাভাইরাস কোভিট-১৯’র বিশ্ববাসী আক্রান্ত ও মৃত্যুর কবলে পড়ার ধারাবাহিকতায় গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশে নতুন আতঙ্ক সৃষ্টি করে প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত ও মানুষের মৃত্যু হয়। সেই ধারাবাহিকতা ধরে কক্সবাজারের রামু উপজেলায়ও করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত রামু উপজেলায় করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা সংগ্রহের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়াও রামু উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারাও গেছেন একজন।

রামুকে করোনামুক্ত রাখতে প্রতিনিয়ত মাঠে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা। তাঁর সাথে ছিলেন উপজেলা উপ-প্রকৌশলী মোঃ আলাউদ্দিন খাঁন। তাছাড়াও রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়ার নির্দেশনায় রামু স্বাস্থ্য বিভাগ উপজেলাবাসির সেবায় প্রতিনিয়ত মাঠে রয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত রামু স্বাস্থ্য বিভাগের টিমকে এগারটি ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবহিত করার জন্য মোবাইল নাম্বার দেয়া হয়েছে।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া জানান, করোনা রোগীদের রামু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ৩ জুলাই পযর্ন্ত নমুনা সংগ্রহ হয়েছে এক হাজার ১৮ জনের, তার মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন। এদের মধ্যে রামুর বিভিন্ন ইউনিয়নের নারী ও পুরুষ মিলে ও বিভিন্ন বয়সের ১৩০ জন, সরকারি বাহিনী ৯৬ জন ও স্বাস্থ্য কর্মী ১০ জন রয়েছেন। এছাড়াও মোট সুস্থ হয়েছেন ১১০ জন, রামুর বিভিন্ন ইউনিয়নের ৪৮ জন, স্বাস্থ্য কর্মী ৮ জন, সরকারি বাহিনীর ৫৪ জন।

রামুতে বাকি ১২৬ জন আক্রান্তদের মধ্যে কিছু রোগী আইসোলেশন সেন্টারে আছেন আর কিছু রোগী বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। এদের মধ্যে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

উল্লেখ্য, রামু আইসোলেশন সেন্টারে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয় ২২ এপ্রিল। ওই রোগী ছিল কক্সবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!