খুলে দেয়া হলো এভারেস্টের দরজা

খুলে দেয়া হলো এভারেস্টের দরজা

মধ্য এপ্রিল থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এভারেস্টে পর্বতারোহণ করতে আসেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর এভারেস্ট অভিযান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। নেপাল সরকারের এ ঘোষণা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও চ্যানেল প্রচার করে।

কিন্তু সম্প্রতি এভারেস্ট অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তা-ও আবার নেপাল সরকারের অনুমতিতেই। নেপাল এভাবে কথা না রাখায় চলছে জোর বিতর্ক। গত ২৬ মে মঙ্গলবার ৫ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট চূড়ায় উঠেছেন।

এ অভিযান নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে পর্বতারোহী মহলে। পর্বতারোহীদের দাবি, ঘোষণার পরও কীভাবে অভিযান হলো? পুরো বিষয়টি কেন ধোঁয়াশার মধ্যে রাখা হলো? কেউ সুযোগ পেল, আবার কেউ পেল না- এটা কেমন নিয়ম হতে পারে?

জানা যায়, নেপালের মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেপাল থেকে শুরু হওয়া মাউন্ট এভারেস্টের সব অভিযান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এর পরই সেখান থেকে এভারেস্টে ওঠার সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদেশি কোনো পর্যটককেই আর ভিসা দেওয়া হয়নি।

কিন্তু তার পরও সেভেন সামিট ট্রেকস প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি অভিযাত্রী সংস্থা গত মঙ্গলবার তাদের ফেসবুকে পেজে একটি অভিযানের ভিডিও পোস্ট করে। সেখানে দেখা যায়, নর্থ কল দিয়ে পাঁচ জনের একটি রোপ ফিক্সিং দল এভারেস্ট জয় করেছে।

তারা তিব্বতের রাজধানী লাসার টিবেটান গাইড স্কুলের সদস্য। তারা হলেন- দোরজি শেরিং, তেনজিং নোরবু, ডুনপা, তাশি গোম্বু, শেরিং নোরবু। এ ফেসবুক পোস্ট দেখেই হতাশ হয়েছেন অন্যান্য অভিযাত্রীরা। তাদের প্রশ্ন, তাহলে কেন নেপাল সরকার পুরো বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি খেলল?

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!