ঈদগাঁওতে ক্রেতা সেজে অভিযান, চার দোকানদারকে ৭ দিনের জেল

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

চলমান করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশের মতো  প্রশাসন কক্সবাজার জেলার সব ধরণের শপিংমল সরকারি নির্দেশনা মতো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে৷ কিন্তু  প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে মুনাফালোভী কিছু দোকানদার কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারে বেচাকেনা অব্যাহত রাখেন। এই সংবাদে কক্সবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শাহরিয়ার মুক্তার একাধিকবার দোকানদারদের সতর্ক করে আর্থিক জরিমানা করেন। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ভোর রাত থেকেই লোভি দোকানীরা দোকান খুলে চড়া মূল্যে বেচাকেনা করতেই থাকেন। এতে বৃহত্তর ঈদগাঁওতে করোনা ঝুঁকির আশংকা বাড়তে থাকে। ইতিমধ্যে পাঁচজনের করোনা শনাক্তও হয়েছে।

তেমনই দোকান খোলা রাখার সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকালে ক্রেতা সেজে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার মুক্তার বাজারের ডিসি সড়কস্থ দুইটি মার্কেটে অভিযানে নামেন। এসময় হাতেনাতে ৪ দোকানদারকে আটক করে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ঘোষণা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ।

সুত্র মতে, ক্রেতা সেজে তিনি এই ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করেন।

এই সংবাদ মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে পুরো বাজারের দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যান দোকানিরা।

আটককৃতদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ সড়ক দিয়ে কক্সবাজার শহরে ফেরার পথে সদরের উপকূলীয় ইউনিয়ন  চৌফলদন্ডী বাজারে অভিযান চালিয়ে আরো দুই দোকানীকে আটক করে একই দন্ড দেন তিনি।

এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত  ধৃতদের পূর্ণাঙ্গ  পরিচয় জানা যায়নি।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুঃ শাহরিয়ার মুক্তার জানান, এ মহামারি থেকে সুরক্ষায় সরকারি নির্দেশ অমান্যকারীদের কোন ছাড় নেই ।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত  অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।

অভিযানকালে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক)  মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে পুলিশের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!