সদরের ৯ রোগীই শহরের একই পরিবারের, ‘হোম আইসোলেশনে’ থাকা রোগীর সংস্পর্শে আক্রান্ত

কক্সবাজার শহরের করোনা রোগীদের বাড়িতেই রাখা হচ্ছে, আশপাশে আতঙ্ক!

আনছার হোসেন
সম্পাদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার সদর উপজেলায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শনাক্ত হওয়া ৯ করোনা রোগীই কক্সবাজার শহরের একই পরিবারের সদস্য। ইতোপূর্বে তাদের গৃহকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে বাড়িতে ‘হোম আইসোলেশনে’ রাখার কারণেই পুরো পরিবারটি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিবারটি কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার বাসিন্দা। শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে ৫ জন মহিলা, দুইজন পুরুষ ও দুইটি শিশু রয়েছে।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগের প্রধান ডা. রূপেশ পাল ও কলেজের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মো. শাহজাহান নাজির বিষয়টি কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন।

সুত্র মতে, একদিনেই একই পরিবারের ৯ জন সদস্যের করোনা আক্রান্ত হওয়া কক্সবাজার জেলায় একটি রেকর্ড। তাদের মধ্যে পুরুষ দুইজনের বয়স হলো ৫০ বছর ও ২০ বছর। মহিলা ৫ জনের বয়স যথাক্রমে ১৯ বছর, ২৫ বছর, ৪৫ বছর, ২২ বছর ও ২৫ বছর। এছাড়াও দুইটি শিশুর বয়স হলো ১১ বছর ও ৩ বছর।

কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ জানান, এই পরিবারটি ইতোপূর্বে করোনা শনাক্ত হওয়া আবদুর রহমানের পরিবার। তিনি গত ১১ মে করোনা শনাক্ত হন। তারপর থেকে তাকে বাড়িতেই ‘হোম আইসোলেশনে’ রাখা হয়েছে। এখন তার পরিবারের ৯ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনিও মনে করেন, প্রথম শনাক্ত হওয়া রোগীকে বাড়িতে রাখার কারণেই পুরো পরিবারে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।

একই পরিবারের ৯ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে বলেন, করোনা রোগীর কোন উপসর্গ না থাকলে বাড়িতে ‘হোম আইসোলেশনে’ রাখার বিধান রয়েছে। এখন যেহেতু পরিবারের ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন তখন তাদের প্রাতিষ্টানিক আইসোলেশনে নেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যেভাবে রোগী বাড়ছে তাতে আইসোলেশন হাসপাতালে জায়গা দেয়া যাবে কিনা এখন সেই চিন্তাও করতে হচ্ছে। এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও রোগী পাওয়া গেছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!