বৃদ্ধা মায়ের কথা ভেবেই করিয়েছেন টেষ্ট, রিপোর্ট মিলল করোনা ‘পজিটিভ’

কক্সবাজার শহরে একজন কুরআনে হাফেজের ‘করোনা’, আতঙ্কিত পুরো এলাকাবাসি

মহিউদ্দিন মাহী
প্রধান প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

সেহেরী খাওয়ার সময় শরীরে প্রচন্ড গরম অনুভব করলেন প্রথমে। সকাল হতে হতেই কাশিও দেখা দিল। তখনই সন্দেহ দানা বাধল। আর দেরি না করেই জেলার প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পরীক্ষা দিতে চলে আসলেন ৪২ বছরের এক ফল ব্যবসায়ী।

শনিবার (৯ মে) সদর হাসপাতালের আউটডোরে এসে যখন মেশিনে গায়ে জ্বর দেখলেন চিকিৎসকরা তখনই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন তাকে। পরদিন সন্দেহভাজন ‘কোভিড ১৯’ পরীক্ষার স্যাম্পল নিয়ে দিনে দিনেই কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব থেকে ‘পজিটিভ’ ধরা পড়ে তার।

৪২ বছরের এই ফল ব্যবসায়ীর বাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহজারার বনানী গ্রামে।

তার স্ত্রী জানান, চকরিয়ার চিরিঙ্গা ষ্টেশনে তরমুজ এবং বাঙ্গির আড়ৎ আছে তার স্বামীর। সেখানে নাটোর, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ফল আসে গাড়িতে। তা প্রতিদিন বিক্রি করেন।

করোনা আক্রান্ত ফল ব্যবসায়ীর স্ত্রী জানান, হঠাৎ শুক্রবার সেরেরীর সময় জ্বর জ্বর অনুভব করলে শনিবার নিজে নিজেই পরিবারের কথা চিন্তা করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পরীক্ষা দিতে যান তিনি। তার ঘরে ৮০ বছরের বৃদ্ধা মা-ও আছেন। ৩ ছেলে, এক মেয়ে, মা ও স্বামী-স্ত্রী মিলে ৭ জনের সংসার তাদের।

তার স্ত্রী আরও জানান, তার স্বামীর করোনা আক্রান্তের খবরে উদ্বিগ্ন হয়েছেন। কারণ আগে থেকেই ডায়েবেটিক রোগে ভুগছেন তিনি। সবার কাছে তার স্বামীর সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছেন।

এদিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা সদর হাসপাতালের আরপি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়াসিন আরফাত জানান, তিনি জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ইতোমধ্যে তার উপসর্গ অনুযায়ী জাতীয় ‘কোভিড ১৯’ রোগীদের যে জাতীয় গাইড লাইন সেটা মেনেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!