পেকুয়ায় শনাক্ত সকলেই আগের রোগীর সংস্পর্শে আসা, ৭ জন একই ফার্মেসির কর্মচারি

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মিছিল ছাড়াল ১ লাখ

আনছার হোসেন, সম্পাদক
রিয়াজ উদ্দিন, পেকুয়া
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলায় পেকুয়ায় একদিনে শনাক্ত হওয়া ৯ করোনা রোগীর মধ্যে সবারই আগের রোগীর সংস্পর্শতা রয়েছে। তবে এদের দুইজনের মধ্যে করোনা ছাড়াও অন্য রোগের উপসর্গ পাওয়া গেছে।

এদের মধ্যে ৭ জন গত ২ মে শনাক্ত হওয়া রোগীর ফার্মেসীর কর্মচারি। তারা পেকুয়া বাজারের মোস্তফা ফার্মেসীতে কাজ করেন। ওই ফার্মেসিরই মালিকের ছেলে ইতোপূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্য দুইজন দুইজনও ওই রোগীর নিকটাত্মীয়। তারা বারবাকিয়া ইউনিয়নের সঞ্জীবন পাড়ার বাসিন্দা। তাদেরও আগের রোগীর সাথে সংস্পর্শতার ইতিহাস রয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছাবের আহমদও একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সুত্র মতে, ফার্মেসী মালিকের সংস্পর্শে এসে করোনায় আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী কর্মচারি রয়েছেন। তবে ওই কর্মচারিরা কোন এলাকার বাসিন্দা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রিপোর্টে পেকুয়া বাজারের ঠিকানা দেয়া আছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে, গত ৬ মে পেকুয়ায় ১৮ জন সন্দেহভাজন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ১৫ জনের টেষ্ট হয়েছে। টেষ্ট হওয়া ১৫ জনের মধ্যে ৯ জনেরই রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ এসেছে।

এদিকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান নাজির পেকুয়া নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, চিন্তার বিষয় কতজন শনাক্ত হলো সেটা নিয়ে নয়, একজন রোগী কতজনকে ছড়িয়েছে সেটাই মূখ্য। ১৫ জনকে টেষ্ট করে ৯ জনকে শনাক্ত করা গেছে। তাহলে সমাজে কতজন ছড়িয়ে পড়েছেন এমন রোগী, সেটাই চিন্তার বিষয়।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!