কক্সবাজার সদরের ৬ রোগীর দুইজন শহরের, দুইজন চকরিয়া ও রামুর

নাইক্ষ্যংছড়ির করোনা রোগীকে রামু আনা হয়নি, বাড়িতেই আছেন

আনছার হোসেন
সম্পাদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার সদর উপজেলায় একদিনে সর্বাধিক ৬ জন রোগীর ‘করোনা পজিটিভ’ এসেছে। যদিও এদের মধ্যে দুইজন সদর উপজেলার বাসিন্দা নন। তাদের একজনের বাড়ি রামু উপজেলায়, অন্যজন চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। কিন্তু তারা দুইজনই করোনা টেষ্ট জমা দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে।

কক্সবাজারে বৃহস্পতিবার শনাক্ত হওয়া ৬ রোগীর মধ্যে দুইজন মহিলাও রয়েছেন। এছাড়াও দুইজন রয়েছেন কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সুত্র কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই সুত্র মতে, ওই ৬ জনের মধ্যে রামু উপজেলার একজন ও চকরিয়ার একজন বাদ দিলে কক্সবাজার সদর উপজেলার রোগী থাকে ৪ জন। এই চারজনের মধ্যে ৩২ বছর বয়সী এক মহিলা সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা। আরেকজন মহিলা রয়েছেন, তিনি হলেন সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের বাংলাবাজারে করোনা শনাক্ত হওয়া মুদি দোকানদারের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

এছাড়াও কক্সবাজার শহরের দুইজন রোগীর মধ্যে একজন পাহাড়তলী বড়–য়া পাড়ার বাসিন্দা। ৪৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। অন্যজন শহরের বৈদ্যের ঘোনা এলাকার বাসিন্দা। তার বয়স ৩০ বছর।

অন্যদিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে করোনার নমুনা টেষ্টে দেয়া অন্য উপজেলার অধিবাসী দুইজন হলেন চকরিয়ার দরবেশকাটা এলাকার এক গৃহবধূ। অন্যজন রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের ২০ বছর বয়সী এক যুবক। যিনি গতকাল বুধবার (৬ মে) কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন। হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার তার করোনা ‘পজিটিভ’ হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও করোনা চিকিৎসায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. ইয়াছির আরাফাত কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে জানান, ওই যুবক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তির তার করোনা টেষ্ট করা হয়। গত বুধবার (৬ মে) করোনা টেষ্ট ‘নেগেটিভ’ আসলে অনেকটা জোরজবরদস্তি করে ছাড়পত্র নিয়ে গেছেন। যদিও তার দ্বিতীয়দফা নমুনা নিয়ে রাখা হয়েছিল। ওই নমুনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে আজকে। সেই রিপোর্ট ‘পজিটিভ’।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৭ মে) কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২০ জনের করোনা পজিটিভ হয়। এদের মধ্যে কক্সবাজারের ১৯ জন ও আরেকজন চট্টগ্রামের লোহাগড়া এলাকার। কক্সবাজার জেলার ১৯ জনের মধ্যে পেকুয়ায় সর্বাধিক ৯ জন, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে ৬ জন, মহেশখালী দুইজন, চকরিয়ায় দুইজন রয়েছেন। ২০তম ব্যক্তি লোহাগড়া এলাকার।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!