চকরিয়ায় একদিনে যে ৯ জন হলেন করোনা আক্রান্ত

কক্সবাজারে আজও ২৪ জনের করোনা টেষ্ট, রিপোর্ট সবারই ‘নেগেটিভ’

আনছার হোসেন
সম্পাদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার জেলায় এখন সর্বাধিক সংখ্যক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে চকরিয়া উপজেলায়। মঙ্গলবার (৫ মে) একদিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন। এ নিয়ে এই উপজেলায় করোনা রোগী এখন ১৬ জন, যাদের মধ্যে একজন বিসিএস কর্মকর্তাও রয়েছেন।

একদিনে ৯ জন, এটি কক্সবাজার জেলায় একদিনে পাওয়া উপজেলা পর্যায়ে সর্বাধিক শনাক্ত রোগীর রেকর্ড। এদের মধ্যে মা-মেয়ে-পুত্রবধূসহ একই পরিবারের তিনজন মহিলা, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী, একজন কলেজ শিক্ষার্থী ও এনজিও কর্মী, একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, একজন কাঠ মিস্ত্রী ও মসজিদের একজন মোয়াজ্জিনও রয়েছেন।

এদের মধ্যে আবার একজন চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা নন। তিনি হলেন রামু উপজেলার। আরেকজন আছেন, যিনি চকরিয়ার বাসিন্দা হলেও বান্দরবান সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সুত্র কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

করোনায় ওরা কারা
চকরিয়া উপজেলায় মঙ্গলবার শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে একজন হলেন কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের ইসলামনগরের বাসিন্দা। তিনি চকরিয়া উপজেলা সদরে মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাদের মধ্যে দ্বিতীয়জন হলেন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতা কর্মী। তিনি রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা।

তৃতীয়জন হলেন চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাহারবিল পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা। ২২ বছর বয়সী এই যুবক ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি লকডাউনের আগে ঢাকা থেকে চকরিয়ায় এসেছেন। বর্তমানে চকরিয়ায় মামার বাড়িতে থাকছেন।

চতুর্থজন হলেন চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ডেইল পাড়ার বাসিন্দা। ২৩ বছর বয়সী এই যুবক বান্দরবান সরকারী কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। একই সাথে তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ইপসা’তে চাকুরি করেন।

পঞ্চমজন হলেন চকরিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের চিরিঙ্গা ফুলতলার বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী। তিনি চট্টগ্রামে বসবাস করেন। গত ২৯ এপ্রিল তার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবা মারা গেলে তিনি বাড়িতে এসেছেন। তখন থেকে চকরিয়ায় অবস্থান করছেন।

ষষ্টজন হলেন ওই তরুণীর মা। তার বয়স ৫০ বছর।

সপ্তমজন হলেন আগের বৃদ্ধার পুত্রবধূ। তিনিও একই বাড়িতে থাকেন। তার বয়স ২৪ বছর।

অষ্টমজন হলেন চকরিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের চিরিঙ্গা ফুলতলা এলাকার বাসিন্দা। ৪৬ বছর বয়সী এই লোক একজন কাঠ মিস্ত্রি।

আর সর্বশেষ ব্যক্তি হলেন চকরিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের চকরিয়া হাসপাতাল পাড়ার বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি। ৫০ বছর বয়সী কোন কাজের সাথে যুক্ত নন। তিনি বাড়িতেই অবস্থান করেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!