একদিনেই ৯ করোনা রোগী, কিভাবে এতো আক্রান্ত- বলতে নারাজ চকরিয়া স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

কক্সবাজারের প্রথম করোনায় মৃত নারীর দাফন হলো মধ্যরাতে

মহিউদ্দিন মাহী
প্রধান প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

‘কোভিড ১৯’ নামের অদৃশ্য এক ভাইরাস হানা দিতে বসেছে গোটা কক্সবাজারে। তবে জেলার অন্য উপজেলার চাইতে বেশি রোগী শনাক্তে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চকরিয়া উপজেলা। এখানেই একজন বিসিএস কর্মকর্তাসহ করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন ১৬ জন। মঙ্গলবার (৫ মে) একদিনেই এই উপজেলায় করোনা ধরা পড়েছে ৯ জনের। তাই বিশেষজ্ঞদের উদ্বিগ্নতা বেড়েছে এই উপজেলা নিয়ে।

কিভাবে হঠাৎ এতো রোগী বাড়লো? কারও কি সংস্পের্শে এসে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে?, এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে নারাজ খোদ চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহবাজ।

তিনি বলেন, এই সময়ে রোগীদের ব্যাপারে কথা বলা ঠিক হবে না। কে কিভাবে কার সংস্পর্শে আসছে, এই তথ্য দেয়া যাবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি জনেন, চকরিয়াতে এখন করোনা রোগীকে থুথু ছিটাচ্ছে? সামাজিক ভাবে হেয় করছে? তাই করোনা রোগীদের বিষয় নিয়ে কোন ভাবেই সংবাদ তৈরি করা ভালো হবে না। দরকার হলে আমার উদ্বৃতি দিতে পারেন।

ইতোপূর্বে চকরিয়া উপজেলাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছয়জনকে ‘হোম আইসোলেশনে’ থেকে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাদের কাউকেই কোন ডেডিকেটেঢ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেনি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তাহলে কী করোনা আক্রান্তের পরও বাড়িতে থাকা ওই ৬ জনের সংস্পর্শে এসে রোগী সংখ্যা বেড়েছে এই উপজেলায়? এই প্রশ্ন এখন জনমনে।

করোনা রোগীরা যে বাড়ি থেকে বের হবেন না? কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যরা বাইরে বের হবেন না। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন তখন কী হবে না। করোনা আক্রান্ত রোগীদের যে ঘরে থাকার ব্যবস্থার প্রটোকল কি কেউ দিয়েছেন? এমন সব প্রশ্নে ডা. শাহবাজ দাবি করেন, তারা করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ‘পজিটিভ’ আসলেও কারও উপসর্গ ছিল না। সুতরাং যার যার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মাধ্যমে চৌকিদার এবং গ্রাম পুলিশ তাদের দেখভাল করেছেন।

ডা. শাহবাজ দাবি করেন, সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী তাদের বাড়িতে রাখা হয়েছে। ওই গাইডলাইনের ১৬ নাম্বারে স্পষ্ঠভাবে উল্লেখ আছে, করোনা আক্রান্ত হয়েও যদি তাদের উপসর্গ না থাকে তারা বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে পারবেন।

যদিও মঙ্গলবার যে ৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে একজন রোগী পার্শ্ববর্তী লামা উপজেলার বলে নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!