শহীদুল্লাহ মেম্বার ডিজিটাল আইনে ধরা, গ্রেপ্তার হলেন যে কারণে

শহীদুল্লাহ মেম্বার গ্রেপ্তার, যে কারণে গ্রেপ্তার হলেন

বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

‘বাংলা পত্রিকা’ নামের এক অখ্যাত সংবাদপত্রের কক্সবাজার প্রতিনিধি পরিচয়ধারি, বহুল আলোচিত-সমালোচিত সাবেক ইউপি মেম্বার ও কৃষক লীগ নেতা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদুল্লাহ মেম্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আটকের পর কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছে। বেসরকারি টেলিভিশন এসএ টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত মিডিয়া সহকারি আহসান সুমন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ খাইরুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইতোপূর্বে রোববার রাতে সাদা পোষাকে আইন শৃংখলা বাহিনীর একটি দল শহীদুল্লাহ মেম্বারকে তার ব্যবহৃত ল্যাপটপসহ নিয়ে যায়।

ধৃত মোঃ শহীদুল্লাহ (৫২) কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার (পূর্ব) এলাকার মৃত মকতুল হোসেনের ছেলে। তিনি বৃহত্তর ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ছিলেন। পরে কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নাম্বার ওয়ার্ড থেকেও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। তবে জিততে পারেননি।

পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ খাইরুজ্জামান জানান, গত পহেলা মে মোঃ শহীদুল্লাহ তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক আহসান সুমনকে আপত্তিকর কটাক্ষ করে লাইভ ভিডিও প্রচার করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ধৃত শহীদুল্লাহ মেম্বারকে পুলিশের আদালত পরিদর্শকের (ইন্সপেক্টর) মাধ্যমে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ খাইরুজ্জামান জানান।

তার মতে, রোববার (৩ মে) রাতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মোঃ শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদুল্লাহ মেম্বারকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

সুত্র মতে, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদুল্লাহ মেম্বার এমনিতেই নানা কারণে বিতর্কিত ছিলেন। তার মাঝে ঢাকার ‘বাংলা পত্রিকা’ নামের একটি অখ্যাত পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরে।

সুত্র জানান, পহেলা মে ও ২ মে শহীদুল্লাহ মেম্বার তার ফেসবুক আইডি থেকে দুইটি লাইভ করেন। ওই লাইভে তিনি কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, তার পরিবার, তাঁর কাছের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, সাংবাদিক আহসান সুমন, মেয়র মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারি এবি ছিদ্দিক খোকনসহ বেশ কিছু সরকারি দলের লোকজনের বিরুদ্ধে কটুক্তিমূলক বিষোদগার করেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!