উখিয়া-টেকনাফের ৩৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা রোগী নেই, নির্মাণ হচ্ছে ১২০০ শয্যার আইসোলেশন

উখিয়া-টেকনাফের ৩৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা রোগী নেই, নির্মাণ হচ্ছে ১২০০ শয্যার আইসোলেশন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

বাংলাদেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ এক মাস ২৭ দিন অতিবাহিত হলেও উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে থাকা কোন রোহিঙ্গার শরীরে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়নি।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৩ মে পর্যন্ত ৪৬ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীর শরীরের স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে। টেস্টে সবার রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ এসেছে।

কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) অফিসের প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারি ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া কক্সবাজার ভিশন ডটকমকে রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, স্যাম্পল টেস্ট করা ৪৬ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ৯ জন মালয়েশিয়া যেতে না পেরে ট্রলারে ভেসে আসা রোহিঙ্গাও রয়েছেন।

ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া বলেন, ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ১১টি পয়েন্টে ১২০০ শয্যার করোনা আইশোলেশন হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে। তার মধ্যে ৮০০ শয্যার নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ৪০০ শয্যার আইসোলেশন হাসপাতালের নির্মাণ কাজ স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে আাগামি ৩১ মে’র মধ্যে শতভাগ সম্পন্ন হবে বলে ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

যদি করোনা সংকট শেষ হয়, করোনা আইসোলেশন হাসপাতাল গুলোকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য সাধারণ হাসপাতালে পরিণত করা হবে বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা গুলো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যথাযথভাবে পালনে নিয়মিত কাজ করা হচ্ছে বলে ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া জানিয়েছেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!