আন্দামানে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপ কক্সবাজার দিয়েই অগ্রসর হতে পারে

আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জের নিকটবর্তী এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মিয়ানমার উপকূল অভিমুখে (কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের নিকটবর্তী) অগ্রসর হতে পারে। বলে রোববার (৩ মে) দুপুরে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ।

সম্প্রতি বন্যাপূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আন্দামান সাগর এবং তৎসংলগ্ন আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জের নিকটবর্তী এলাকায় একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। দুইদিনের মধ্যে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মিয়ানমার উপকূল অভিমুখে (কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের নিকটবর্তী) অগ্রসর হতে পারে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় (চট্টগ্রামও বরিশাল বিভাগে) চার দিনের মতো ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি উচ্চতায় জোয়ার সংঘটিত হতে পারে।

তবে বন্যাপূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র যে সময় নিম্নচাপ সৃষ্টির কথা বলেছিল, তার প্রায় তিন দিন পর সেখানে লঘুচাপ সৃষ্টি হলো।

আজ দুপুরে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, ‘আন্দামানে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটা কোন দিকে যাবে, সেটা এখনও ঠিক হয়নি। এটা ওখানেই শেষ হয়েও যেতে পারে।’

সম্প্রতি আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেছিলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের অনেকগুলো ধাপ আছে। প্রথমে লঘুচাপ হয়, তারপর সুস্পষ্ট লঘুচাপ। এরপর নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ এবং তারপরে ঘূর্ণিঝড়ের স্তরটা আসে।’

আরেক আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেছিলেন, ‘এর (আন্দামানে সৃষ্ট লঘুচাপ) নাম আম্ফান। এটা ঘূর্ণিঝড় আকারে বাংলাদেশে না-ও আসতে পারে। তবে লঘুচাপ বা নিম্নচাপের সম্ভাবনা আছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!