মামাকে ফাঁসাতে কিটনাশক ছিটিয়ে নিজের ধানক্ষেত নষ্ট করলো শাহ আলম!

দীর্ঘদিন ধরে মামা-ভাগিনার মাঝে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা চলছে। এ নিয়ে আদালত পর্যন্ত মামলাও গড়িয়েছে। নিজের মামার দখলীয় জমিতে রাতের আঁধারে ধানের চারা রোপন করে আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞাও নিয়েছেন শাহ আলম নামের এই ব্যক্তি।

আবার দেড়মাসের মাথায় সেই মামার দখলীয় জমিতে শাহ আলমের রোপন করা ধান বড় হয়। সেখানে নিজের রোপন করা ধান নিজেই আগাছানাশক কিটনাশক দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে।

এমন ঘটনাই ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নে।

আবার এই ঘটনা সাজিয়ে আগে থেকেই আদালতের ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে মামলার করার উদ্দেশ্যে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি অভিযোগও দিয়েছেন শাহ আলম। এ নিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘মিথ্যা’ সংবাদও হয়েছে।

এসব অভিযোগ তুলেছেন শাহ আলমের মামা ফিরোজ আহমদ।

তিনি দাবি করেন, রামু উপজেলার চাকমারকুল মৌজার বিএস খতিয়ান ১৪৩ এর বিএস ৪৭১১ দাগের সম্পূর্ণ ১.০১ একর জমিতে পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে দীর্ঘ ৪০/৫০ বছর ধরে ফিরোজ আহমদ গং ভোগ দখলে আছেন। এই দাগে ৪টি দোকানও রয়েছে ফিরোজ আহমদের।

তার মতে, এই জমিগুলো সম্পূর্ণ ফিরোজের দখলে থাকা সত্বেও ইতিপূর্বে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ৬.৬৭ একর অর্থাৎ ২০ কড়া জমিতে রাতের আধাঁরে ধানের চারা রোপন করে আসে শাহ আলম। সে বিষয়কে কেন্দ্র করে একদিন পরেই ১৯ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের (এডিএম) আদালতে এমআর মামলা (মামলা নাম্বার ২৭০/২০২০), যার ৪২৫/২০২০ নং স্মারকে সিআরপিসি ১৪৪ ধারা মোতাবেক একটি নোটিশ নিয়ে আসেন শাহ আলম।

ফিরোজ আহমদ অভিযোগ করেন, ওই নোটিশকে কেন্দ্র করেই আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে জোরপূর্বক রোপন করা ধান নিজেই আগাছানাশক ছিটিয়ে নষ্ট করে নতুন করে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে শাহ আলম।

ফিরোজ আহমদ প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্টু তদন্ত চেয়ে কাউকে এই ঘটনায় বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করেছেন। পাশাপাশি এই সংক্রান্ত যে নিউজ হয়েছে ওই নিউজের প্রতিবাদও করেন তিনি।

এই বিষয়ে শাহআলমের বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইলে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!