মহেশখালীর প্রথম ৩ রোগীর একজন সুস্থ, দুইজনের তৃতীয়দফা টেষ্ট শনিবার

কক্সবাজারের প্রথম করোনায় মৃত নারীর দাফন হলো মধ্যরাতে

আনছার হোসেন
সম্পাদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে প্রথম শনাক্ত হওয়া তিন রোগীর একজন এখন পুরোপুরি সুস্থ। তিন এখন বাড়ি ফেরার জন্য প্রস্তুত। ওই রোগী হলেন মোহাম্মদ রিদুয়ান।

অন্য দুইজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন কিনা তা জানা যাবে আগামিকাল শনিবার (২ মে)।

মহেশখালী দ্বীপে এই তিনজনের শরীরে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল গত ১৯ এপ্রিল। এক সপ্তাহ পর তাদের দ্বিতীয় দফা করোনা টেষ্টে রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ পাওয়া যায়।

পরে আজ শুক্রবার (১ মে) তিনজনের নমুনা তৃতীয়বারের মতো টেষ্টের জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানে হলেও এ দিন শুধু একজনের টেস্ট হয়। ওই একজন হলেন মোহাম্মদ রিদুয়ান। অন্য দুইজনের টেস্ট হবে আগামিকাল শনিবার।

শুক্রবারের রিপোর্টে রিদুয়ানের টানা দুইবার রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ আসায় তাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে বাড়ি ফিরতে পারবেন।

মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুল হক ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান নাজির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবের ‘পজিটিভ’ রোগীর তালিকা থেকে মোহাম্মদ রিদুয়ানকে বাদ দেয়া হয়েছে। ওই ইচ্ছা করলে আজই বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।

তিনি বলেন, যদি হাসপাতাল থেকে তাকে নাও ছাড়া হয়, তাহলে তাকে আলাদা রুমে রাখতে হবে। কেননা, অন্য দুইজন রোগীর ‘নেগেটিভ’ রিপোর্ট না আসা পয্যন্ত তারা পজিটিভ।

মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুল হক জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে থাকা তিনজনেরই তৃতীয়দফা নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। আজ (শুক্রবার)একজনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে, তিনি নেগেটিভ। অন্য দুইজনের রিপোর্ট আশা করা যাচ্ছে, আগামিকাল পাওয়া যাবে।

তিনি জানান, রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও ওই রোগীকে এখনও ছাড়া হয়নি। অন্য দুইজনের নেগেটিভ আসলে তবে একসাথে তিনজনকেই ছাড়পত্র দেয়া হবে। তবে তৃতীয়দফায় নেগেটিভ আসা রোগীকে আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে।

তার মতে, এই তিনজন রোগীর দ্বিতীয়দফা টেষ্টে সবারই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল মহেশখালী উপজেলায় তিনজন সন্দেহভাজন রোগীর টেস্ট রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ পাওয়া গিয়েছিল। এদের মধ্যে দুইজন উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের। তাদের মধ্যে একজন ওই ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের মিয়াজি পাড়ায়, অন্যজন ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের মল্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা। মহেশখালীর আরেকজন করোনা রোগী বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!