Breaking

নাইক্ষ্যংছড়ির প্রথম ‘পজিটিভ’ রোগীর শরীরে নেই করোনা উপসর্গ, পুরো পাড়া লকডাউন

আনছার হোসেন
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগী একজন তাবলীগফেরত। তার শরীরের করোনা ভাইরাসের কোন উপসর্গ না থাকলেও তাবলীগ থেকে ফেরায় তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। তবে তার শরীরে উচ্চ রক্তচাপ ছিল।

৬৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের কুলাল পাড়ার বাসিন্দা।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ও নাইক্ষ্যংছড়ির নির্ভরযোগ্য সুত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও বিজিবি সদস্যরা ওই ব্যক্তির বাড়িসহ কুলাল পাড়ার সবক’টি বাড়ি লকডাউন করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে ওই এলাকা লকডাউন করা হয়।

সুত্র মতে, ওই ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাবলীগ জামাতের ছিল্লা শেষে খুলনা থেকে ঢাকা হয়ে নাইক্ষ্যংছড়িতে ফেরেন। তার সাথে তাবলীগফেরত আরও ৫ জন ছিলেন।

তাবলীগ জামাত থেকে ফেরার কারণে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন এবং শরীরের নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে ওই নমুনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আইইডিসিআরের ফিল্ড ল্যাবে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো. শাহজাহান নাজির জানান, বুধবার নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে ৬ জনের নমুনা এসেছিল। সে গুলো বৃহস্পতিবার টেষ্ট করা হয়। টেষ্ট রিপোর্টে ৫ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও একজনের পজিটিভ পাওয়া যায়।

তিনি জানান, এটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব চালু হওয়ার পর গত ১৬ দিনে প্রথম পাওয়া ‘করোনা পজিটিভ’ রোগী।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিম উদ্দিন জানান, মাত্র ৩ দিন আগে ওই ব্যক্তি তাবলীগ জামাতের কাজ সেরে নাইক্ষ্যংছড়িতে ফিরেছেন। তার শরীরে এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোন উপসর্গ নেই।

তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কোন ধরণের উপসর্গ না থাকলেও তার শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

ডা. সেলিম বলেন, ওই ব্যক্তির বাড়িটি মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি। তার বাড়ির এক পাশে তুমব্রু খাল আর অন্য পাশে ১৫-২০টি বাড়ি নিয়ে কুলাল পাড়া গ্রাম। ওই এলাকার সবক’টি বাড়িই লকডাউন করা হয়েছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!