কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১৩ উপজেলা ও রোহিঙ্গা শিবিরে সেনা টহল ‍শুরু

কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১৩ উপজেলা ও রোহিঙ্গা শিবিরে সেনা টহল ‍শুরু

আনছার হোসেন
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মাঠে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার সকাল থেকে পর্যটন জেলা কক্সবাজারের ৫টি উপজেলা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্প এলাকা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৮টি উপজেলায় টহল দেয়া শুরু করে সেনাবাহিনীর রামু ক্যান্টনমেন্টের ১০ পদাতিক ডিভিশনের চিকিৎসক দলসহ সেনা সদস্যরা।

সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই টহল দিতে দেখা গেছে। ইতোপূর্বে মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হয়। পরে এলাকাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন সুত্র জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই সেনাবাহিনী টহল কার্যক্রম শুরু করে। কোনো জায়গায় বেশি লোকজন যেন সমবেত হতে না পারেন, সবাই যেন নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাফেরা করেন এবং যথাযথভাবে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলেন, সেই বিষয়গুলো সেনাবাহিনী নিশ্চিত করবে।

কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১৩ উপজেলা ও রোহিঙ্গা শিবিরে সেনা টহল ‍শুরু

সুত্র মতে, প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে তাদেরও চিকিৎসার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে।

এছাড়াও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্প (রোহিঙ্গা শিবির) এলাকায় সেনাবাহিনীর পর্যাপ্তসংখ্যক নতুন চেকপোষ্ট স্থাপন ও টহল কার্যক্রমের পরিধি বহুগুণে বাড়ানো হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে বহিরাগতদের চলাচল।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর থেকেই সাধারণ মানুষের ঘরের বাইরে আসার প্রবণতা কমে এসেছে। রাস্তাঘাটে খুব কমসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অনেক এলাকা প্রায় জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোও জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে। জেলার রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে। সেনাসদস্যরা মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ এবং প্রেষণার মাধ্যমে বাইরে অবস্থানরত লোকদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন সেনাসদস্যরা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!