কক্সবাজার মেডিকেলে ‘করোনা’ ল্যাব চালুর প্রস্তুতি চলছে, জেলায় কোয়ারেন্টাইনে ২১৪

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ‘করোনা’ ল্যাব চালুর প্রস্তুতি চলছে, জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ২১৪ বিদেশফেরত

বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে করোনা ভাইরাসের জীবাণু টেস্টে চালু হবে ল্যাব। বর্তমানে দেশে ঢাকাস্থ আইইডিসিআর ছাড়া আর কোথাও করোনা ভাইরাসের জীবাণু টেস্টের ল্যাব নেই।

বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান।

তবে অন্য একটি সুত্র দাবি করেছেন, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে দ্রুত ল্যাব চালুর ব্যবস্থা থাকলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া ল্যাবটিতে বিশেষজ্ঞ মাইক্রোবায়োলজিষ্ট নেই। এছাড়াও ল্যাবটিতে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের মতো জীবাণু পরীক্ষার উপযোগী নয়।

সিভিল সার্জন ডা. মাহবুব জানান, সরকার জরুরীভিত্তিতে দেশে আরও ৮টি করোনা ভাইরাসের জীবাণু টেস্ট করার মতো ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারমধ্যে বিভাগীয় শহরগুলো এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে কক্সবাজারে একটি ল্যাব স্থাপন করা হবে।

তার মতে, ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও মহেশখালীর মেগাপ্রকল্প গুলোতে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থান, কক্সবাজারের প্রায় ২৩ লাখ অধিবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনায় সরকার কক্সবাজারে এই ধরণের ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, তাঁকে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের জীবাণু টেস্টের সুবিধাসম্পন্ন ল্যাব করার সকল যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে ইতিমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে। কক্সবাজারের ল্যাবটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের বর্তমান পিসিআর ল্যাবে স্থাপনের পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। ল্যাব চালানোর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, কক্সবাজারের ল্যাবটি চালুর আগপর্যন্ত কক্সবাজারের রোগীদের করোনা ভাইরাসের জীবাণু পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর ল্যাবেই পাঠানো হবে।

তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ২৩ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বিদেশফেরত ২১৪ জনকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।

তার মতে, কেউ হোম কোয়ারান্টাইন না মানলে তাদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। আগামি ২৬ মার্চ থেকে হোম কোয়ারান্টাইন অমান্যকারিদের সরকারিভাবে স্থাপিত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে নিয়ে যাওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক, নার্স, স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য পর্যাপ্ত পিপিই’র (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) ব্যবস্থা রয়েছে। আরও পিপিই (ড্রেস) পাঠানোর জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের সদর দপ্তরে ইতিমধ্যে চাহিদাপত্রও পাঠানো হয়েছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!