টেকনাফে বিদেশফেরতদের খোঁজে মাঠে প্রশাসন, ৩৩ জনের ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত

টেকনাফে বিদেশফেরতদের খোঁজে মাঠে প্রশাসন, ৩৩ জনের ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত

নুরুল হক, টেকনাফ
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘কোয়ারেন্টাইনে’ নিতে কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বিদেশফেরতদের খোঁজে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. টিটু চন্দ্র শীলের নেতৃত্বে একটি দল সাবরাং ইউনিয়ের বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু বিদেশফেরতদের ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত করেন।

এসময় এলাকায় মাইকিং করে সচেতনতা চালানো হয় এবং স্থানীয় জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এদিকে ফার্মেসী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ছাড়া মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধে বিদেশফেরত ৩৩ জনকে ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তালিকায় নাম থাকা কিছু মানুষকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের খোঁজে মাঠে কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘মাইকিংয়ে জনসমাগম না করতে বলা হয়েছে। এতে সাড়া দিয়ে অনেকে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখছে। তবে ফার্মেসীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা রয়েছে।

টেকনাফে বিদেশফেরতদের খোঁজে মাঠে প্রশাসন, ৩৩ জনের ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, ‘করোনা রোধে একটি তালিকা নিয়ে উপজেলা প্রশাসনসহ আমরা যৌথভাবে কাজ করছি। গত দুইদিনে ৩৩ জন বিদেশফেরতকে প্রবাসীকে ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা পুরোপুরি ‘কোয়ারেন্টাইন’ মানছেন সেটিও তদারকি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাস রোধে প্রতিদিন স্বাস্থ্য কর্মী এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবু আমি অনুরোধ করছি, নিজে এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না। তাছাড়া যেসকল স্বাস্থ্য কর্মী করোনা রোধে মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারাও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।’

এদিকে করোনা প্রার্দুভাব এড়াতে সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ফার্মেসী, কাঁচা বাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ছাড়া অন্যান্য সব মার্কেটসহ দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফার্মেসী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ছাড়া বাকি সব মার্কেটসহ দোকানপাট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এতে জনগণ সাড়া দিয়েছেন। মূলতঃ জনসচেতনতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!