‘করোনা’য় বাড়ছে আতংক বাড়ছে সেন্টমাটিন দ্বীপে

‘করোনা’য় বাড়ছে আতংক বাড়ছে সেন্টমাটিন দ্বীপে

নুরুল হক, টেকনাফ
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

করোনা ভাইরাস আতংক বাড়ছে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে। এই দ্বীপে প্রতিদিন দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটক ভ্রমণে যাচ্ছেন। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর অনেকেই পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছেন দ্বীপে। কিন্তু বিশ্বব্যাপি করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক ও ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছেন দ্বীপবাসি। ফলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা।

করোনা ভাইরাস রোধে দ্বীপে পর্যটক বন্ধের দাবি জানিয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘প্রতিদিন বিভিন্ন জেলার হাজারো পযটক দ্বীপ ভ্রমণে আসছেন। কে করোনায় আক্রান্ত, কে আক্রান্ত না বুঝা মুশকিল। তাছাড়া বিশ্বব্যাপি এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এখানে ভ্রমণে আসা পযটকদের মধ্যে এই ভাইরাস নেই, সেইটা নিশ্চিত কিভাবে হই?

তিনি বলেন, ‘যদি কোন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি দ্বীপে ভ্রমণে আসেন, তাহলে অবস্থা খুব খারাপ হবে। কেননা দ্বীপে তেমন চিকিৎসার কোন ব্যবস্থাও নেই।’

এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া এখনি প্রয়োজন মনে করছেন তিনি।

‘করোনা’য় বাড়ছে আতংক বাড়ছে সেন্টমাটিন দ্বীপে

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী পাঁচটি জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে বে-ক্রুজ, আটলান্টিক, এমভি ফারহান, কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ এন্ড ডাইন। এগুলোর মধ্যে (১৮ মার্চ) বুধবার সকালে চারটি জাহাজে করে হাজারো পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে যান। ইতোপূর্বে গত বছর পহেলা নভেম্বর থেকে এই নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কোন নির্দেশনা না পাওয়ায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। তবে দ্বীপে জনসমাগম না করতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।’

এদিকে সেন্টমার্টিন অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, ‘যেহেতু দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ গাদাগাদি করে পর্যটকবাহী জাহাজে করে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যাচ্ছেন। তাই দ্বীপের পর্যটক ভ্রমণ সীমিত করা দরকার। কেননা করোনা রোধে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।’

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় আতংক বেড়েছে বাংলাদেশেও। এরইমধ্যে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। তবে মারা গেছেন একজন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!