কলেজছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করলো ওরা

কলেজছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করলো ওরা

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় এক কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নড়িয়া থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের কান্দিগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুর সরকারি কলেজে একটি মিটিংয়ে যোগ দেন কলেজছাত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিটিং শেষে অটোরিকশাযোগে পালং উত্তর বাজার দিয়ে কানার বাজার যান তিনি। সেখান থেকে নিজ এলাকা নড়িয়ার কাপাশপাড়া যাওয়ার জন্য অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করেন কলেজছাত্রী।

রিকশা না পেয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটতে থাকেন তিনি। কান্দিগাঁও এলাকায় পৌঁছলে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় ওই এলাকার জয়নাল মোল্লার ছেলে শৃঙ্খল মোল্লা (২৫)। পরে নিপু খার মাছের ঘেরে আটকে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর শৃঙ্খলের তিন বন্ধু কালু শিকদারের ছেলে হৃদয় শিকদার (২৫), আলমগীর মোল্লার ছেলে মুরাদ মোল্লা (২২) ও কাশেম সরদারের ছেলে আরিফ সরদারও (২৩) কলেজছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সেখানে কলেজছাত্রীকে ফেলে পালিয়ে যায় তারা। পরে তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।

হাসপাতালে ভর্তি কলেজছাত্রী বলেন, শৃঙ্খল, হৃদয়, মুরাদ ও আরিফ আমাকে ধর্ষণ করেছে। তাদের হাত-পা ধরলেও আমাকে ছাড়েনি। আমার স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, আংটি ও নূপুরসহ পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা।

কলেজছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে ওরা খারাপ কাজ করেছে। মেয়েকে এখন কীভাবে বিয়ে দেব, গ্রামে কেমনে মুখ দেখাব? আমার মেয়ের সঙ্গে যারা খারাপ কাজ করেছে তাদের ফাঁসি চাই।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা লিমিয়া সাদিয়া বলেন, গণধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গণধর্ষণে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!