ভেঙে ফেললো দুই হাত

এক লবণ চাষী সৈয়দ আলমের উপর হামলে পড়ল পুরো ‘ওসমান বাহিনী’!

এক লবণ চাষী সৈয়দ আলমের উপর হামলে পড়ল ওসমানের পুরো বাহিনী!

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের অন্যতম দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে সদ্য জেলফেরত ‘ওসমান বাহিনী’ প্রধান ওসমানের হামলায় ছৈয়দ আলম নামে এক লবণ চাষী গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহত ছৈয়দ আলম হোয়ানক ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামের মাওলানা ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।

বুধবার (১১ মার্চ) বেলা দেড়টার দিকে হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনার পশ্চিমে বদর ঘোনা নামক লবণ মাঠে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছেন, ইউনিয়নের হোয়ানক মৌজার আরএস ৫০ নাম্বার খতিয়ানের জমি নিয়ে দু’টি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। যা নিয়ে মামলা কক্সবাজার সহকারী জজ ১ম আদালতে বিচারধীন রয়েছে। ওই বিষয় নিয়ে মহেশখালী থানায় কয়েকবার শালিশী বৈঠকও হয়েছে। শালিশী বৈঠকে উভয়পক্ষকে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, আদালত ও মহেশখালী থানার নির্দেশ অমান্য করে জেল থেকে সদ্য মুক্তি পেয়ে হোয়ানক রাজুুয়ার ঘোনার মৃত মুজাহের মিয়ার ছেলে ওসমানের নেতৃত্বে তার ভাই মোহাম্মদ হোসেন ওরফে বাইশ্যা, আনু মিয়ার ছেলে বদি আলম, মো. ছৈয়দ, বদি আলমের ছেলে শাকের উল্লাহ, মো. সোলতান, সালামত উল্লাহ, নেয়ামত উল্লাহ, আবদুল মাবুদের ছেলে আবদুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন, বেলাল, মোঃ জালালের ছেলে নুরুল মোস্তফসহ অন্যরা লবণ চাষী ছৈয়দ আলমের উপর হামলা চালায়। তাদের সশস্ত্র হামলায় ছৈয়দ আলম অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসিরা তাদের ইচ্ছে মতো আঘাত করে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় মাঠেই ফেলে রেখে যায়।

এক লবণ চাষী সৈয়দ আলমের উপর হামলে পড়ল পুরো ‘ওসমান বাহিনী’!

লবণ শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছিদ্দিক আহমদের ছেলে ছৈয়দ আলম লবণ মাঠ দেখতে যান। লবণ মাঠ দেখে চলে আসার পথে লবণ চাষা দেলোয়ারে সাথে কথা বলছিলেন। ওই সময় হঠাৎ সন্ত্রাসিদের জড়ো হতে দেখলে ছৈয়দ আলম আত্মরক্ষার জন্য অন্য লবণ চাষীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তাদের মতে, পাশের লবণ চাষিরা ছৈয়দ আলমকে রক্ষার চেষ্টা করলে তাদেরও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় সন্ত্রাসিরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন লবণ চাষী বলেন, সন্ত্রাসিরা আগে থেকেই লাঠিসোটা নিয়ে প্রস্তুত ছিল।

এদিকে স্থানীয়রা ছৈয়দ আলমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে হোয়ানক টাইমবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অপরদিকে আহত ছৈয়দ আলমকে প্রথমে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

সুত্র মতে, সৈয়দ আলমের দু’টি হাতই ভেঙ্গে গেছে। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!