খালেদার মুক্তি আন্দোলন থামিয়ে দিল ‘করোনা’

‘১৪ সালে নির্বাচনে না যাওয়াটা ভুল ছিল না, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেটাই প্রমাণিত হলো’

করোনাভাইরাসের কারণে খালেদা জিয়ারর মুক্তি আন্দোলনের কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমানুষের প্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিনা অপরাধে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আবদ্ধ রয়েছেন। তিনি ভীষন অসুস্থ এবং সুচিকিৎসার অভাবে ও দীর্ঘদিন বন্দী থাকার কারণে তার অসুস্থতা বেড়েই চলেছে।’

দেশের প্রচলিত আইনে তার চেয়েও কম বয়সি ও কম অসুস্থ এবং বেশি সাজাপ্রাপ্ত সরকারি দলের নেতারা জামিনে মুক্তি পেয়ে এমপি- মন্ত্রী হয়েছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রীকে প্রাপ্য জামিন দেয়া হচ্ছেনা। অন্তত সুচিকিৎসার জন্য হলেও অতিদ্রুত তার মুক্তির জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি। ইতোমধ্যে তার পরিবারের পক্ষ থেকেও সুচিকিৎসার জন্য দেশনেত্রীর মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। দেশবাসী আশা করে যে, তাদের সেই আবেদন গৃহীত হবে এবং দেশনেত্রীর মত একজন বিশিষ্ট নাগরিক বিনা চিকিৎসায় নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আগামীকাল দেশের সকল মহানগর ও জেলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু মুক্তির দাবিতে আমরা সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটায় জনসমাবেশে আগতরা যাতে ভাইরাসের ঝুঁকিতে না পড়েন, সেজন্য আগামীকালের সেই কর্মসূচি আমরা আপাতত স্থগিত ঘোষণা করছি। ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের আশু আরোগ্য কামনা করছি এবং এই রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য পরম করুনাময় আল্লাহর নিকট প্রার্থনা জানাচ্ছি।’

একইসাথে, তিনি দল, অঙ্গ দল ও সহযোগী সংগঠন সমূহের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এবং দেশবাসীকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান ও এই রোগ যাতে আর না ছড়ায় সে লক্ষ্যে জনসচেতনামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার আহবান জানান।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!