প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে লাশ হলো কলেজছাত্রী

প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে লাশ হলো কলেজছাত্রী

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হলিডে ইন আবাসিক হোটেল থেকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) উদ্ধার হওয়া তরুণীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। মরদেহটি শনাক্তের পর বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

নিহত ওই তরুণী বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বড়পাইতা গ্রামের নিপুন করের মেয়ে ঈশিতা কর। তিনি আগৈলঝাড়া শেখ হাসিনা মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী।

মরদেহ শনাক্তের পর নিহতের বাবা নিপুন কর বাদী হয়ে মহিপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

মামলার একমাত্র আসামির নাম রাজ্জাক সরদার। তিনি যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুড়িহাট গ্রামের হামেদ আলী সরদারের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহিপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুর রহমান বলেন, রাজ্জাক পেশায় ইটভাটা শ্রমিক। মাঝে মধ্যে তিনি সড়ক সংস্কারেও শ্রমিকের কাজ করতেন। চার মাস আগে আগৈলঝাড়ার বড়পাইতা গ্রামে একটি সড়কের কাজ করতে গিয়ে কলেজছাত্রী ঈশিতার সঙ্গে রাজ্জাকের পরিচয় হয়। এরপর মোবাইল ফোনে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে গড়ে ওঠে। গত শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুজনে কুয়াকাটায় এসে হোটেল হলিডে ইনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থান করেন। এর দুদিন পর মঙ্গলবার ভোরে ঈশিতার মরদেহ হোটেল কক্ষের বিছানা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে পুলিশ ইউডি মামলা নিলেও নিহতের পরিবার মরদেহ শনাক্তের পর ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ এনে রাজ্জাকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আসামি রাজ্জাককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এসআই সাইদুর রহমান।

মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) কুয়াকাটার হলিডে ইন আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ২০৮ নং কক্ষে ওঠেন রাজ্জাক ও ঈশিতা। হোটেল রেজিস্টারে সঠিক তথ্য দেয়নি তারা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হোটেল কক্ষ থেকে ঈশিতার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন থেকেই ঈশিতার প্রেমিক রাজ্জাক পলাতক।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!