মেয়র মুজিবের জন্য রাজপথে নেমেছিলেন তারা

মেয়র মুজিবের জন্য রাজপথে নেমেছিলেন তারা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মানহানিকর মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন হাজারো জনতা।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে নারী-পুরুষ জনতার এই ঢল নামে। যেখানে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেছে কক্সবাজার পৌর পরিষদ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন।

সমাবেশে ‘সরকারের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রকারি বিতর্কিত’ পত্রিকা ডেইলি স্টার ও দৈনন্দিন কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে আগামি তিনদিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে পুরো কক্সবাজার অচল করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক এবি ছিদ্দিক খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইতিপূর্বেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সরকারের উন্নয়নের বিরুদ্ধে নানামুখি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো বহুল বিতর্কিত ‘ডেইলি স্টার’ ও ‘দৈনন্দিন’ পত্রিকা। যার ধারাবাহিকতায় পর্যটন নগরীতে যখন উন্নয়ন কর্মকান্ড শুরু হয়েছে তখন স্থানীয় প্রতিপক্ষের সহযোগিতায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার জনপ্রিয় মেয়র মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ এনে মর্যাদাহানিকর মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে এই দু’টি বিতর্কিত পত্রিকা।

পত্রিকাগুলো সর্বমহলে বর্জনেরও আহবান জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয় পত্রিকাগুলোর বেশকিছু কপি। পাশাপাশি ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সরকারী দলের শীর্ষ নেতা এবং কক্সবাজারের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন মেয়রকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা পৌরবাসি কখনো মেনে নিবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।

পরে জনতার বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ইতোপূর্বে ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ডেইলি স্টার ও দৈনন্দিন পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পৌর আওয়ামী লীগ।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি ডেইলী স্টার ও ২৮ জানুয়ারি কক্সবাজারের দৈনন্দিন পত্রিকায় ‘নদী দখলকারী নদী সংরক্ষণ কমিটির সদস্য’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ করে ‘সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা’কে প্রশ্নবিদ্ধ করে তারা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর, সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমদুল করিম মাদু, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এড. অরূপ বড়ুয়া তপু, পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন মাসু, খুরুশকুলের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. পরিমল, সেলিম নেওয়াজ, রফিক মাহমুদ, পৌর কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু, পৌর কাউন্সিলর শাহেনা আকতার পাখি, এড. রিদোয়ান আলী, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, দীপক দাশ, আবু আহমদ ও জেলা যুবলীগ নেতা কুতুব উদ্দিন।

এছাড়াও সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সত্যপ্রিয় চৌধুরী দোলন, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশ, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান আইনজীবী পরিষদ ও জেলা দোকান মালিক সমিতি।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক, আসিফ উল মওলা, নাজমুল হোছাইন নাজিম, গিয়াস উদ্দিন, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী, পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহেদুল আলম রানা, মিজানুর রহমান, শুভদত্ত বড়ুয়া, নজরুল ইসলাম, মীর কাশেম কন্ট্রাক্টর, ওসমান গণি টুলু, শাহেদ আলী, নুরুল আলম পেঠান, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, সাইফুদ্দীন, ওয়াহিদ মুরাদ সুমন, জিয়া উল্লাহ চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, আজিমুল হক, দেলোয়ার হোসেন জান্নু, বজল আহমদ, তাজ উদ্দিন, গফুর মিয়া, জাফর আলম, খোরশেদ আলম, আমির উদ্দিন, জহিরুল কাদের, মেজবাহ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ ও মৎস্যজীবী লীগ নেতা সোহেল রানা।