মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা কর্মসূচী

সমুদ্র পাড়ে হবে অর্ধলক্ষ মানুষের সমাবেশ, কক্সবাজারে হোটেল ভাড়ায় ২৫% ছাড়

বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে কক্সবাজার সৈকতের তীরে নেয়া হয়েছে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী। শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচীই নয় এদিন (১০ জানুয়ারি, শুক্রবার) কক্সবাজারের সকল আবাসিক হোটেলে ২৫ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও এদিন সৈকতের বালুকাবেলায় অর্ধলক্ষ মানুষের সমাবেশ ঘটাতে চায় জেলা প্রশাসন। এই নিয়ে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাংবাদিবদের সাথে মতবিনিময় ছাড়াও বিভিন্ন সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংগঠনের সাথেও মতবিনিময় করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে ছিল সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও প্রেস ব্রিফিং। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে মুজিববর্ষ উপলক্ষে এই প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করা হয়েছিল।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন মুজিব বর্ষ উদযাপনের ক্ষণগণনা উদ্বোধন কর্মসূচী নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তাঁর দেয়া তথ্য মতে, বেলা ১১ টায় শহরের লাবণী পয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর ১০০টি দুর্লভ ছবি নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী করবে জেলা প্রশাসন। বিকেল ৩টা থেকে ৫টা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার, এরপর ১০০টি বেলুন উড্ডয়ন ও ১০০টি কবুতর অবমুক্তকরণ। সন্ধ্যা ৬টায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে রাত ৯টায় সৈকতের আকাশে ১০০টি ফানুস ওড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজ থেকে পুরো অনুষ্ঠান লাইভ করা হবে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছে। দিনটিতে যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে পুলিশসহ সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী (মুজিববর্ষ) ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টসহ জেলার আট উপজেলায় ক্ষণগণনাযন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আগামী ১০ জানুয়ারি ঢাকার তেজগাঁওস্থ পুরাতন বিমান বন্দরে ক্ষণগণনার শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, একেকজনের একেক রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু নিয়ে কোনো বিতর্ক-মতভেদ থাকার কথা নয়। তিনি না হলে আমরা আজকের বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু এখন বিশ্ববন্ধু। তাকে শ্রদ্ধা করা সবার উচিত। তাই কর্মসূচি সফল করতে তিনি জেলাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

ব্রিফিংকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।