কৃতজ্ঞতা

জন্মক্ষণের ভালোবাসা!

জন্মক্ষণের ভালোবাসা!

আনছার হোসেন
সম্পাদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

আমি সাধারণত জন্মদিন পালন করি না। ধর্মীয় ভাবেও জন্মদিন পালনের বিধান আমি কোথাও খুঁজে পাইনি। তাছাড়া আমার জন্মক্ষণ কখন সেটা আমি জানি না, সেটা কেবল মহান ¯্রষ্টায় আল্লাহই জানেন। কেননা তিনিই সৃষ্টি করেছেন, আর তিনিই জানবেন আমার সৃষ্টির ক্ষণ কখন!

এতোকিছুর পরও দুনিয়ারি একটি জন্মদিন বছর ঘুরে ঘুরে বারবারই ফিরে আসে। ফেসবুক নামের বায়বীয় মাধ্যমটি এই বিষয়টিকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। বছর ঘুরছেই ফেসবুক মনে করিয়ে দেয়, আজ (২৬ নভেম্বর) আমার জন্মদিন!

কখন যে ৪১টি দুনিয়াবি বছর পার হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না! স্বার্থের এই দুনিয়ায় যখন দেখি কেউ কারো নয়, তখন নিজেদের চেনা-জানা কিংবা অচেনা কেউ কেউ যখন সেই জন্মক্ষণটিকে স্মরণীয় করে তুলে তখন ভালো না লেগে পারে না।

আজ সকালে যখন ঘুম ভাঙে তখন ফেসবুক মেসেঞ্জারে দেখি আবদুল্লাহ ভাইয়ের (মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন) জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তারপর একে একে আসতে থাকে শুভেচ্ছার পর শুভেচ্ছা! আর ফেসবুকের ওয়ালজুড়ে যেন আজ কেবল আমারই ছবি।

এতো মানুষ আমাকে মনে রেখেছে! এই মানুষগুলো সবাই আমাকে ভালোবাসে! শুকরিয়া, আলহামদু লিল্লাহ!

জন্মক্ষণের ভালোবাসা!

আমার চেনা অচেনা অনেকগুলো মানুষ আমার জন্মদিনটিকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন ফেসবুকজুড়ে কিংবা ফোনালাপে! আর সন্ধ্যা গড়াতেই প্রেস ক্লাবে সহকর্মী বড়জন আর ছোট ভাইদের আয়োজন। রাতে প্রেসক্লাবে কাটা হলো কেক। সাথে রইলেন আমার চেনা মানুষগুলো, যারা কর্মক্ষেত্রে আমার সহকর্মী হিসেবে জানি।

এই মানুষ গুলোর ভালোবাসার মূল্য দেয়ার সাধ্য কী আমার আছে! তাদের প্রতি রইলো আমার অকৃত্রিম ও অশেষ কৃতজ্ঞতা। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ অবশ্য ভাষায় করা সম্ভব নয়।

তবে আমার চেনা-অচেনা শুভাকাংখী মানুষ গুলোর কাছে একটাই প্রার্থনা, আমি যেন আমৃত্যু সুস্থ থাকি আর সৎ ভাবে বাঁচতে পারি, সেই দোয়া যেন করেন আপনারা।

সবার প্রতি আমার ভালোবাসা।