গর্জনিয়া বাজারে আবারও আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ৩০০ দোকান

গর্জনিয়া বাজারে আবারও আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ৩০০ দোকান

গর্জনিয়া বাজারের আগুনের ফাইল ছবি। 

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, নাইক্ষ্যংছড়ি
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের কাছের উপজেলা রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া বাজারে ৩ শত দোকান অল্পের জন্যে রক্ষা পেল বিদ্যুতের মিটার সৃষ্ট আগুন
থেকে।

রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ বাজারের কালিবাড়ি সংলগ্ন মার্কেটের মন্ছুরের দোকানে আগুন লাগার পর শত শত লোক এসে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। স্থানীয়দের ধারণা, আগুন নেভানো সম্ভব না হলে ৩০০ দোকানই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারতো।

প্রত্যক্ষদর্শী কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মনিরুল আলম মনির জানান, তিনি বাজারে সামাজিক এক বিষয় নিয়ে বৈঠকে ছিলেন। ওই সময় দখল মার্কেটের দিকে ‘আগুন আগুন’ শব্দের আওয়াজ শুনে তিনি দলবলসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন- আরও লোকজন জড়ো হয়েছেন। তারা সবাই মিলে আগুন নেভাতে ঝাপিয়ে পড়েন। এ সময় তাদের সাথে সম্মিলিতভাবে ব্যবসায়ীরা গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে এগিয়ে এসে গ্যাসের স্প্রে করলে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।

তিনি বলেন, যদি আগুন মাত্র ২ মিনিট সময় পেতো তাহলে পুরো বাজারে ছড়িয়ে যেতো। অন্তত ৩ শত দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যেতো।

বাজার পরিচালনা কমিটির নেতা মৌলানা আলী আকবর জানান, গর্জনিয়া বাজারের বিপদ এখনও কেটে যায়নি। বারবার আগুন লাগছে বিদ্যুত থেকেই। গতকালের বিষয়টিও অনুরূপ ঘটনা।

তিনি বলেন, বাজার পাহারাদার বদরুজ্জামান না হলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তো। সে-ই প্রথম ঘটনাটি মন্ছুরকে জানান। আর মন্ছুর নিজে এসে দরজা ভাংগেন।

উল্লেখ্য, একই ব্যবসায়ীর চালের দোকানেও আগুন লাগে শুক্রবার সন্ধ্যায়। দুইদিনের মাথায় রোববার রাতে লাগে বিষের দোকানে। আর গত দেড়মাস আগে এই বাজার বৈদ্যুতিক আগুনে ২ ব্যবসায়ী-কর্মচারী পুড়ে কংকাল হন, আর পুড়ে যায় ৩ দোকান। তার এক সপ্তাহ পর আগুন লাগে জামশেদের র্ফামেসীতে। তাও বিদ্যুতের কারণে। কয়েকদিন পর পার্শ্ববতী দৌছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই হয় এক শিশু।

অনেক ব্যবসায়ীর মতে, গর্জনিয়া বাজার, নাইক্ষ্যংছড়ি ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ নিজস্ব লোক না থাকায় স্থানীয় কাঁচা হাতের লোকজন এসব অপারেটিং করার কারণে এই দূর্ঘটনা ঘটে আসছে। আরো ঘটবে। যে বিষয়টি প্রশাসনকে এখনই আমলে আনা দরকার। নচেৎ আরো বেশী কিছু ঘটনা আশংকা রয়েছে বলে মনে করেন তারা।