একদিনে আসলো ১১০৩ টন মিয়ানমারের পেঁয়াজ

টেকনাফ বন্দরে পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ

নুরুল হক, টেকনাফ
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের স্থল বন্দরে একদিনে এক হাজার ১০৩ দশমিক ১৭১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আগের তুলনায় পেঁয়াজ আমদানিও বেড়েই চলেছে। তবে এত বিপুল পরিমাণ পিয়াঁজ আমদানি করা হলেও স্থানীয় বাজারে পেয়াঁজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসছে না বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।

এদিকে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় সেদিকে ঝুঁকে পড়ছেন। তবে পেয়াঁজ আমদানিতে সরকারি রাজস্ব মওকূফ থাকায় আগের তুলনায় রাজস্ব অনেক কম আদায় হচ্ছে।

টেকনাফ শুল্ক বিভাগ সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে এই বন্দর দিয়ে চলতি নভেম্বর মাসের ২৫ দিনে ১৭ হাজার ৯৫২ দশমিক ৯৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া অক্টোবর মাসে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। এর আগের সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি হয় ৩ হাজার ৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্রিক টন পেয়াঁজ। তারও আগে আগস্ট মাসে এসেছে ৮৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ।

তবে বন্দরে আমদানিকৃত পেয়াঁজ গুলো দ্রুত খালাস করে প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের সংকট মোকাবেলায় মিয়ানমার থেকে পেয়াঁজ আমদারি করা হচ্ছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।

টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবছার উদ্দিন বলেন, সোমবার একদিনে এক হাজার ১০৩ দশমিক ১৭১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি মাসে ১৭ হাজার ৯৫২ দশমিক ৯৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

তার মতে, প্রতিদিন পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ গুলো বন্দরের কার্যক্রম শেষে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে পেয়াঁজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা পেয়াঁজ আমদানীর দিকে ঝুঁকছেন। ফলে অন্যান্য পণ্য আমদানি কম হচ্ছে। তবে দেশের স্বার্থে সংকট মোকাবেলায় পেয়াঁজ আমদানি বাড়াতে আরো বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে।