অবশেষে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে

উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি, কাজে ধীরগতি, ঘটছে দুর্ঘটনা

হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দুই লেনে উন্নীতকরণের কাজের দেখা মিলছে। কথা ছিল চার লেনে উন্নীতকরণ। হয়তো তাও একদিন দেখা মিলবে। বহুবছর ধরে এখানকার মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

রাস্তার দু’ধারে গাছ কেটে প্রসস্থ করা হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত গাড়ি চলাচল করছে এই সড়ক দিয়ে।

ভিশন-২০৪১ সামনে রেখে দেশের সড়ক-মহাসড়কের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপদ (সওজ) অধিদফতর। তারই আওতায় জাতীয় মহাসড়ক গুলো চার লেন থেকে সর্বোচ্চ ১০ লেন হবে। আর কক্সবাজার-টেকনাফ শহীদ জাফর আলম আরাকান সড়ক হবে চার লেনে। এর বাইরেও কিছু বৈশিষ্ট যুক্ত হবে সড়কে।

২০০৫ সালে করা নকশায় চার লেনের মহাসড়কের সুপারিশ ছিল। এরপর এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সুপারিশ অনুযায়ী বাস্তবায়ন হয়নি। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা উখিয়া-টেকনাফের প্রতি সারাবিশ্বের দৃষ্টি থাকলেও সড়কের উন্নয়ন তেমনটি হয়নি। এই সড়কের গুরুত্ব অনুযায়ী এখন প্রসস্থতা বাড়ছে। তেমনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্রণ এ সড়ক হবে চার লেনের।

উখিয়া-টেকনাফ সড়কে প্রতিদিন সৃষ্টি হয় দু:সহ যানজট। রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে দেশি-বিদেশি এনজিওতে কর্মরত নারী-পুরুষ এবং স্থানীয় যাত্রীদের এক যন্ত্রণাকর অবস্থায় শ্বাস নিতে হয়। ধুলোবালির জনপদে পরিণত হয়েছে উখিয়া-টেকনাফ সড়ক। গাড়ি চালকদেরও একই অবস্থা। তবে সড়কে এই অবস্থা ২০২১ ও ২০৪১ সালের ভিশন অনুযায়ী অর্রথনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করবে। তাই এই সড়কের গুণগত উন্নয়ন দরকার।

উখিয়ায় ট্রাক উল্টে সিএনজিকে চাপা, নারী-শিশু ও এনজিও কর্মীসহ ৪ জনের মৃত্যু

মরিচ্যা লাল ব্রিজ থেকে থাইংখালী পর্রযন্ত দীর্ঘ পথ তীব্র যানজট দেখা দেয়। পনেরো মিনিটের পথ পাড়ি দিতে এক একটি গাড়ির সময় লেগে যায় কমপক্ষে দেড়ঘন্টা।

টেকনাফ মেরিন হাসপাতালের এমডি মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, উখিয়া-টেকনাফ সড়কের চাপ এতই বেশি যে, স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো সম্বব হয় না।

যানজটে আটকে থাকা ট্রাক চালক ফরিদুল আলম বলেন, বালুখালী কাস্টমস এলাকায় গাড়ি থামিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করাকালে চালকের সঙ্গে তাদের বাকবিতন্ডা চলতে থাকলে যানজট তৈরি হয়ে যায়।

শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্যে বাঁশ ও নানা পণ্যবাহী গাড়ি রাস্তায় বিকল হয়ে পড়লেও যানজটের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া এনজিওর গাড়ির অতিরিক্ত চাপও যানজটের অন্যতম কারণ। পাশাপাশি সড়কজুড়ে ফিটনেসবিহীন ও নিষিদ্ধ যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলের কারণে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে হাজার হাজার যাত্রী।

পরিকল্পিত উখিয়f চাই সমম্বয়ক সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দুই লেনের কাজ শেষ হলে এটি হবে দৃষ্টিনন্দন। তবে চালকদের অসাধু প্রতিযোগিতায় সড়কে দুর্ঘটনা বাড়বে।

তিনি বলেন, আমরা আশান্বিত ও উচ্ছসিত। আওয়ামী লীগ সরকার সড়ক মহাসড়কের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের মানুষের ভাগ্যন্নয়নে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।