সদর হাসপাতালে সিএনজি চালককে আটকে রেখে টাকা আদায় পুলিশ কনস্টেবলের

প্রধান প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এক সিএনজি চালককে মারধর ও আটকে রেখে টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বরত পুলিশ কনস্টেবল নুরউদ্দিনের বিরুদ্ধে।

এমনই অভিযোগ তুলেছেন কক্সবাজার সদরের বাংলাবাজার এলাকার বখতার আহমদের ছেলে সিএনজি চালক মোহাম্মদ বাবুল।

তার অভিযোগ, গত বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার দাদীর রক্ত সংগ্রহ করার জন্য সদর হাসপাতালে আসেন তিনি। আসার পর তার এক ফুফাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের নিচে একজন রক্তদাতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। ওই সময় অতর্কিত ভাবে এসে সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে কর্মরত কনষ্টেবল নুরউদ্দিন তাদের দুইজনকে হাসপাতালের ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে যান। ওই সময় তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন কনষ্টেবল নুরউদ্দিন।

তিনি দাবি করেন, দীর্ঘক্ষণ তাদের আটকে রেখে রাত সাড়ে ১২টার সিএনজি চালক বাবুলকে তার পরিবারে খবর দিতে বলেন। পুলিশ কনষ্টেবলের কথা মতো পরিবারের লোকজনকে খবর দিলে সিএনজির কোম্পানী মিজানুর রহমান ও আলমগীর আসেন। পরিবারের সদস্যরা আসলে তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন কনেষ্টবল নুরউদ্দিন। অনেকক্ষণ দরকষাকষির পর ১০ হাজার টাকায় রাজি হন নুরউদ্দিন।

পরে দাবীকৃত টাকা দেয়ার পর সিএনজি চালক মো. বাবুলকে পরিবারের কাছে ছেড়ে দেন কনষ্টেবল নুরউদ্দিন।

বিষয়টি নিয়ে কনষ্টেবল নুরুউদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সিএনজি চালক বাবুল নামে কাউকে চিনেন না।

হাসপাতালে ওই ধরণের ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনা সম্পর্কে আমি জানি না।

তিনি বলেন, এই ধরণের ঘটনার যদি বিন্দুমাত্রও সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এক সিএনজি ড্রাইভারকে মারধর ও আটকে রেখে টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বরত পুলিশের কনষ্টেবল নুরউদ্দিনের বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন কক্সবাজার সদরের বাংলাবাজার এলাকার বক্তার আহমদের ছেলে সিএনজি চালক মোহাম্মদ বাবুল। বিস্তারিত পড়ুন- https://www.coxsbazarvision.com/archives/62031.php

Posted by মহিউদ্দিন মাহী on Sunday, October 20, 2019