মহেশখালীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে মারামারি, নববধূকে ছাড়াই ফিরে গেলেন বর

মহেশখালীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে মারামারি, নববধূকে ছাড়াই ফিরে গেলেন বর

নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

বর পক্ষ বাধা দিয়ে কনে পক্ষকে মেহেদী অনুষ্ঠান করতে না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিয়ে অনুষ্ঠানে উভয়পক্ষের মারামারিতে পন্ড হয়ে গেছে পুরো বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এই ঘটনায় উভয়পক্ষের মধ্যে আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন। এই ঘটনার রেশ ধরে নববধূকে ছাড়েই ফিরে গেছেন বর। শেষ পর্যন্ত ঘটনা থানা পুলিশ গড়িয়ে আর বিয়েই হলো না।

আনন্দঘন পরিবেশে এই বিষাদময় ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামে।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার (৫ আগষ্ট) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামের মোঃ জহিরের ছেলে বাদশা আমিনের সাথে একই গ্রামের মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে বজল আহমদের মেয়ের বিয়ে আনুষ্টানিকতা ছিল। বিয়ের আনুষ্টানিকতার আগের রাতে কনের বাড়িতে গিয়ে মেহেদী অনুষ্ঠান করতে বাধা দেয় বর পক্ষের লোকজন। এতে কনে পক্ষ ক্ষুব্দ হয়ে মেহেদী অনুষ্ঠানের জন্য সাজানো স্টেজ বাদ দিয়ে বরের জন্য পরিত্যক্ত স্টেজ রেখে দেয়। পরদিন সোমবার (৫ আগষ্ট) যথাসময়ে বরযাত্রী গিয়ে খাওয়া দাওয়া শুরু করলেও স্টেজের বেহাল অবস্থা দেখে বর গাড়িতেই সময় কাটান সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত। অবশেষে কাজী আসলে স্টেজে না উঠে সাধারণ চেয়ারে বসে কাবিন রেজিষ্ট্রিও সেরে নেন বর। পরে বরের জন্য সাজানো টেবিলে খাবার নিয়ে আসার পর ভাত খাওয়া না খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে লেগে যায় তুমুল বাকবিতন্ডা ও মারামারি। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হন।

সূত্র মতে, গ্রামবাসীরা ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করলেও কনে পক্ষ আর কনেকে তুলে দেননি বরের হাতে। এ নিয়ে গ্রামের সমাজপতিরা রাত ১০টা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হওয়ায় অবশেষে বর পক্ষ মহেশখালী থানায় অভিযোগ দিয়ে রাতে একদল পুলিশ নিয়ে এসেও বউ ঘরে তুলতে ব্যর্থ হন।

এদিকে মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) থানায় দুপক্ষের মধ্যে সালিশ বসলেও কনে পক্ষ আর কনে দিতে রাজি না হওয়ায় অমিমাংসিত থেকে যায় বিয়েটি।

কক্সবাজার ভিশন.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই পাতার আরও সংবাদ
error: Content is protected !!