‘নিজেদের লোককেই বাঁচাতে পারে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়’

আমরা মশা মারার পদ্ধতি জানতে চাই না, আমরা চাই মশার ওষুধ আছে কি না সেটা জানতে, ওষুধ কাজ করছে কি না তা জানতে।

মঙ্গলবার এ মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে এসময় আদালত মন্ত্রণালয়ের প্রতি ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

সোমবার (২৯ জুলাই) রাত ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. নুরুল আমিনের স্ত্রী ফারজানা হক। এ প্রসঙ্গ তুলে আদালত বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কী করে? তারা নিজেদের লোককেই বাঁচাতে পারে না!

এরপর মশা নিধনে সঠিক ও কার্যকর ওষুধ কবে ও কীভাবে আসবে তা বৃহস্পতিবারের (১ আগস্ট) মধ্যে জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।

মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের আইনজীবীদের দেয়া প্রতিশ্রুতির পর শুনানির নির্ধারিত দিনে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সিটি করপোরেশন ও রাষ্ট্রপক্ষের কাছে মশা নির্মূলের বিষয়ে জানতে চেয়ে এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ ঢাকা উত্তর সিটির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু ও দক্ষিণ সিটির পক্ষে আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

এর আগে ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবরা) মশা মারতে সমন্বিত (কম্বাইন্ড) অভিযান চালানোর কথা আদালতকে জানিয়েছিলেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আইনজীবী। ওইদিন আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দিন ঠিক করেছিলেন।