কক্সবাজারে বেড়াতে এসে আর ফিরলেন না নাঈমা

কক্সবাজারে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে টেইলার্সে কাপড় আনতে গিয়ে ছয়দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন নাঈমা কবির (২০) নামের এক গৃহবধূ। গত ২৩ জুলাই নিখোঁজ হওয়ার পর সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেছেন তার বাবা এ কে এম কবির। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারে এখন উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

নিখোঁজ নাঈমা কবির (২০) নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট এলাকার আবদুল করিমের স্ত্রী। তাদের সংসারে রুসাফা করিম (৩) নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নাঈমার বাবা এ কে এম কবিরের স্থায়ী বাড়ি চাটখিলের বদলকোট হলেও চাকরির সুবাদে তিনি বিগত প্রায় একযুগ ধরে কক্সবাজার পৌরসভার কলাতলীর দক্ষিণ আদর্শগ্রাম এলাকায় বাস করছেন।

জিডিতে এ কে এম কবিম উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি নোয়াখালীর শ্বশুরালয় থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসে মেয়ে নাঈমা কবির। ২৩ জুলাই বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের বাজারঘাটা এলাকায় টেইলার্সে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন তিনি। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায়ও বাসায় না ফেরায় তার মুঠোফোনে কল করা হয়। ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তারপর কক্সবাজার শহরে তার বন্ধু-বান্ধব সকলের বাসায় খোঁজ করা হয়। না পেয়ে পরের দিন নোয়াখালীর শ্বশুরালয় ও আশপাশের স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নেয়া হয়। এছাড়াও সম্পর্কিত অন্যান্য জায়গায় খোঁজ নিয়েও ব্যর্থ হয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা পেতে জিডি করা হয়।

৫ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা নাঈমা কবিরের গায়ের রং উজ্জল শ্যামলা। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার পরনে ছিল কালো রংয়ের থ্রি-পিস।

এ কে এম কবির বলেন, একমাত্র মেয়েটির কী হলো কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। মেয়ের চিন্তায় তার মা ও পরিবারের অন্যরা পাগলপ্রায়।

মেয়েকে ফিরে পেতে প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ ওই গৃহবধূকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।