অনারারী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলুল করিম আর নেই

সাবেক অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট, বৃহত্তর চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল করিম (৮৬) ঢাকায় হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। শনিবার (২৭ জুলাই) সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটের দিকে ইন্তেকাল করেন( ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। বিষয়টি মরহুমের সন্তান এডভোকেট সাজ্জাদুল করিম নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে ফজলুল করিমের ৩ ছেলে, ৬ মেয়ে ছিল। সন্তানদের মধ্যে বড় ছেলে সরওয়ার করিম ব্যবসায়ী,  দ্বিতীয় ছেলে এডভোকেট সাজ্জাদুল করিম কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন সিনিয়র আইনজীবী ও কনিষ্ঠ ছেলে জিয়াউল করিম পেট্রো বাংলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। মরহুম ফজলুর করিম কক্সবাজার জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে জেলা বিএনপির এক নম্বর উপদেষ্টা, ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাচিত চেয়ারম্যান, কক্সবাজার শহরের বিমানবন্দর সড়কস্থ সৈকত উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অবৈতনিক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল, কক্সবাজার শহরের পৌর প্রিপ্যারেরটরী হাইস্কুল, ভারুয়াখালী হাইস্কুল, টেকপাড়া আমেন খাতুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তাঁর গ্রামে ‘ফজল করিম মাস্টার’ নামে বহুল পরিচিত। মরহুম ফজলুল করিম ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত কক্সবাজার আদালতে অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিষ্ঠা ও সততার সাথে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বৃহত্তর চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় ১৯৭৫ সালের প্রথমদিকে ফজলুল করিম সহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণে শেখ মুজিবুর রহমান চৌফলদন্ডীতে লবণ মাঠ পরিদর্শনে আসেন এবং সেখানে বিশাল জনসভায় বক্তৃতা করেন।

জানাজা:
রোববার ২৮ জুলাই সকাল সাড়ে ৮ টায় কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া জামে মসজিদ মাঠে মরহুম ফজলুল করিমের প্রথম নামাজে জানাজা এবং ভারুয়াখালী দারুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে মরহুমকে বানিয়াপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হবে।