নাইক্ষ্যংছড়িতে রাস্তার উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

নাইক্ষ্যংছড়িতে রাস্তার উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু
নিজস্ব প্রতিনিধি, নাইক্ষ্যংছড়ি
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের চাক হেডম্যান পাড়া হতে পিএইচপি রাবার বাগান হয়ে ভায়া লংগদুর মুখ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ব্রীকসলিন দ্বারা উন্নয়নমুলক সড়কের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সড়কটি নির্মাণ হলে পাহাড়ী-বাঙ্গালী প্রায় হাজার মানুষের ভাগ্যের আমুল পরিবর্তন হবে বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য থোয়াইছালা চাক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বাইশারী বাজার চৌধুরী বাবু মইয়েং চাক জানান, চাক হেডম্যান পাড়া, শিয়া পাড়া, মাঝের পাড়া, নতুন চাক পাড়া, দৈয়ার বাপের মার্মা পাড়া, ও দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারী বাদুর ঝিরি পাড়া, ত্রিপুরা পাড়ার লোকজন সহজে গাড়ী যোগে বাজার ঘাট ও ইউনিয়ন সদরে এবং উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ স¶ম হবে।

তিনি জানান, অবশ্যই সড়কটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে পাল্টে যাবে পাহাড়ের চিত্র।

সরেজমিনে গিয়ে এই প্রতিবেদক এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এসব তথ্য পেয়েছেন।

নাইক্ষ্যংছড়িতে রাস্তার উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়নবোর্ডের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে (২০১৮ এবং ২০২০ অর্থবছর) নির্মাণ করা হচ্ছে দীর্ঘ দশ কিলোমিটার ইট বিছানো সড়ক। সড়কটি নির্মাণ করা হলে পাল্টে যাবে বাইশারীর চিত্র। পাহাড়ে উৎপাদিত ফল ফলাদি, শাক সবজি, ধান চাউল, বাঁশ গাছসহ নানা পণ্য সহজে বাজারজাত ও ন্যায্যমুল্য দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন চাষীরা। পাশাপাশি হাজারো শ্রমিক রাবার বাগানের কষ আহরণ করে আর কাধে বহন করা লাগবে না।

উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত ম্যানাজার নুর হোসেন জানান, যত দ্রুত সম্ভব মাটির কাজ শেষ হবার পরপরই ইট বিছানো আরম্ভ হবে এবং দ্রুত গতিতে উন্নত ভাবে কাজটি সম্পন্ন হয়ে যাবে।

বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলম কোম্পানি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিশেষ বরাদ্দ থেকে দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য যাতায়াত সুবিধা, নিরাপত্তা, শান্তি, উন্নয়নসহ নানা দিক বিবেচনা করে এই রাস্তাটির নির্মাণ করা হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তাটি দিয়ে সহজে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গাড়ী নিয়ে টহল দিতে পারবেন। যার ফলে সন্ত্রাসীরা এলাকায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটাতে পারবে না।

এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মাদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে ধাপে ধাপে দশ কিলোমিটার মাটির কাজ এবং ইট বিছানো কাজ সম্পন্ন করা হবে। দূর্ণীতি ও নিম্মমানের মালামাল দিয়ে কাজ কোন রকম সহ্য করা হবে না। কোন ধরণের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার ভিশন.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই পাতার আরও সংবাদ
error: Content is protected !!