ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত শিক্ষকের, সাময়িক বরখাস্ত

ভাড়া ছাড়াই বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মিজানুর রহমান নামে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তোপের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মিজানুর রহমান উপজেলার লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল শিক্ষক মিজানুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। পরে ওই ছাত্রী বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার অভিভাবককে জানায়। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে গড়িমসি শুরু হলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়।

পরে মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের এক জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বুধবার সকালে পুনরায় ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা তাকে প্রবেশ করতে দেয়নি।

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক শিকদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের জরুরি সভায় তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে মুঠোফোনে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের সিদ্ধান্তের কথা মুঠোফোনে আমাকে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।