বিয়ের সপ্তাহ না পেরোতেই লাশ হলো আমির খান!

প্রধান প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

বিয়ের পর সপ্তাহ না পেরোতেই লাশ হয়েছেন কক্সবাজার শহরের আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ আমির খান।

বুধবার (১০ এপ্রিল) ভোরে তার গুলিবিদ্ধ লাশ কক্সবাজার শহরের কবিতা চত্বরে পাওয়া যায়।

আমির খান শহরের সাব-মেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বসরত করিম ওরফে জুনু ড্রাইভারের ছেলে।

পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, মারামারিসহ ১২টি মামলা রয়েছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করে দাফন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, আমির খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাসকারীদের জিম্মি করে টাকা আদায় করতেন। এছাড়াও দস্যুতা, ছিনতাই ও ইয়াবা ব্যবসাও সমানতালে চালিয়ে নিতেন তিনি।

সূত্র জানায়, আমির খান সাবমেরিন ক্যাবল ষ্টেশন এলাকার চলতি বছরের এসএসসি শেষ করা এক ছাত্রীকে এক সপ্তাহ আগে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন।

তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। ওই মামলাগুলো হলো জিআর ১৯৯/১৭, জিআর ৯৪২/১৭, জিআর ৯৪৫/১৭, জিআর ৪৫০/১৮, জিআর ৮৮৭/১৮, জিআর ৫৫/১৯, জিআর ৫৬/১৯, জিআর ৬৪/১৯, জিআর ৬৫/১৯, জিআর ১৭৯/১৯, জিআর ২২৯/১৯, জিআর ২৫০/১৯।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দীন খন্দকার জানান, কবিতা চত্বর এলাকায় একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ আছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে জানতে পারে ওটা শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকার আমির খানের মৃতদেহ।

ওই সময় পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ আমির খানকে কে বা কারা হত্যা করেছে তা নিশ্চিত করতে না পারলেও স্থানীয় সূত্র দাবি করছেন, সাদা পোষাকে একটি সশস্ত্র দল বুধবার দিনের বেলা বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে শহরের সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ঝাউবাগানে ঝাউবাগানে’হুদা কবিতা চত্বরে’র কাছে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।