ইউএনও নিজেই এনজিও সংস্থার গাড়ি আটকে দিলেন

এইচএসসি-আলিম এবং সমমান পরীক্ষা চলাকালে গাড়ি চলাচল না করতে নির্দেশ দেয়ার পরও তা মানছে না এনজিও সংস্থাগুলো। তাই শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নেমে নিজেই এনজিও সংস্থার গাড়িগুলো আটকে দিলেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী। সোমবার সকাল পরীক্ষা শুরুর প্রাক্কালে এ দৃশ্য দেখা যায়।

সূত্রমতে, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও সংস্থাগুলোর গাড়ি চলাচলের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়ে চলমান এইচএসসি- আলিম এবং সমমান পরীক্ষার্থীদের চলাচলে চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে মারাতœক সমস্যায় পড়ে পরীক্ষার্থীরা।  ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় সকাল ৯-১০ টা পর্যন্ত এনজিওর গাড়িগুলো চলাচল বন্ধ রাখতে সর্বমহল থেকে দাবি জানানো হয়। এই দাবির প্রেক্ষিতে নিকারুজ্জামান চৌধুরী মৌখিকভাবে এনজিও সংস্থাগুলোকে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় গাড়ি চলাচল না করতে নির্দেশ দেন। তারপরও নির্দেশ মানছে না তারা। যার ফলে ৮ এপ্রিল সোমবার নিজেই রাস্তায় নেমে চলাচল করা এনজিওর গাড়ি আটকে দিলেন ইউএনও। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯ টার পর ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী উখিয়া সদর এলাকায় এসে গাড়ি থেকে রাস্তায় অবস্থান নেন।এসময় তিনি চলাচল করা এনজিওর গাড়িগুলো আটক করেন। তিনি প্রায় আধা ঘন্টা সড়কে অবস্থান করে গাড়িগুলো আটকান। আটকানো গাড়িগুলো উপজেলা পরিষদ মাটে পার্কিং করে রাখেন। এইউএনওর এই রকম ভূমিকায় সর্বস্থরের মানুষ তার ব্যাপক প্রশংসা করছেন। এই ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় এনজিওর গাড়িগুলো চলাচল করে। এত সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। যানজটে পড়ে পরীক্ষার্থীরা যথা সময়ে কেন্দ্রে প্রবেশে বিঘ্ন হচ্ছিল। এর প্রেক্ষিতে ওই সময় গাড়ি চলাচল না করতে এনজিও সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা নির্দেশ না মেনে গাড়ি চলাচল অব্যাহত রাখে। তাই নিজেই নেমে গাড়িগুলো আটকে দিয়েছি। সামনের পরীক্ষার দিনে এমনটি করা হলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার হুশিয়ারি দিয়েছি।