সদর উপজেলায় নতুন ভাইস চেয়ারম্যান রশিদ মিয়া ও হামিদা তাহের

সদর উপজেলায় নতুন ভাইস চেয়ারম্যান রশিদ মিয়া ও হামিদা তাহের

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বই প্রতীকের রশিদ মিয়া ও ফুটবল প্রতীকের হামিদা তাহের। তাদের মধ্যে রশিদ মিয়া ১৬ হাজার ৭৫৫ ভোট ও হামিদা তাহের ৪৮ হাজার ৮৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হলেন গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীকের কাজী রাসেল আহমদ (১১ হাজার ৬৩৪ ভোট) ও প্রজাপতি প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনাজ তাহেরা (২১ হাজার ৫১০ ভোট)।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা শিমুল শর্মা রোববার (৩১ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে আনুষ্টানিক ভাবে বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এবারের নির্বাচনে পুরুষ চেয়ারম্যান পদে ৯ জন প্রার্থী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন।

রোববারের নির্বাচনে ১০৮ ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

বেসরকারি ঘোষিত প্রার্থীদের বিস্তারিত ফলাফল কক্সবাজার ভিশন ডটকমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে বই প্রতীক নিয়ে রশিদ মিয়া ১৬ হাজার ৭৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও অন্য প্রার্থীদের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীক নিয়ে কাজী রাসেল আহমদ পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৩৪ ভোট, উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ হোসাইন তানিম ৫ হাজার ৯৫৮ ভোট, তালা প্রতীক নিয়ে কামাল উদ্দিন ১১ হাজার ৪০ ভোট, টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ছোট রাজা ৮ হাজার ৮৯০ ভোট, চশমা প্রতীক নিয়ে কাইয়ুম উদ্দিন ৭ হাজার ৬৩৫ ভোট, মাইক প্রতীক নিয়ে বাবুল কান্তি দে ৯ হাজার ৪৩৪ ভোট, পালকি প্রতীক নিয়ে আবদুর রহমান মাত্র এক হাজার ২৮২ ভোট ও টিয়াপাখি প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৭৫৮ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট ৪৮ হাজার ৮৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ফুটবল প্রতীকের হামিদা তাহের। তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রজাপতি প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনাজ তাহেরা পান ২১ হাজার ৫১০ ভোট। অন্য প্রার্থী চম্পাফুল প্রতীকের আয়েশা সিরাজ পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪৫৬ ভোট। তিনি জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি।

প্রসঙ্গত, এবারের সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই লাখ ৫৬ হাজার ৬৪৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা। কিন্তু দিন শেষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৮৫ হাজার ৬৪০ ভোট। যা শতকরা হিসেবে মাত্র ৩৩ শতাংশ।