‘নৌকা’র প্রার্থী জুয়েল নিজে কাঁদলেন, কাঁদালেন সবাইকে

‘নৌকা’র প্রার্থী জুয়েল নিজে কাঁদলেন, কাঁদালেন সবাইকে

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েলের
শেষ নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে নিজে কাঁদলেন এবং সবাইকে কাঁদিয়েছেন।

মিছিলটি শহরের পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠ থেকে শুরু হয়ে রুমালিয়ারছড়াস্থ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাঠে শেষ হয়। এতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে লোকে লোকারণ্য হয়। তখন প্রধান সড়কটিতে ঘন্টাব্যাপি যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিলে মিছিলে পাবলিক লাইব্রেরী ও আশপাশ এলাকায় জমায়েত হয়।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে অনুষ্ঠিত গণমিছিলোত্তর সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উজ্জল কর, নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েল।

মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, মরহুম একেএম মোজাম্মেল হক আমার চাচা। তিনি আমৃত্যু আপনাদের বিপদ-আপদে পাশে ছিলেন। আমিও সারাজীবন আপনাদের সাথে আছি। আপনাদের উন্নয়নের স্বার্থে শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী আমার ছোট ভাই কায়সারুল হক জুয়েলকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।

তিনি বলেন, কথা দিলাম, আজীবন আপনাদের সেবা করে যাবো। আজীবন আপনাদের পাশে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ থাকবো।

নৌকার প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েল বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান। সন্তান হিসেবে আমি আপনাদের দরবারে ভোট চাইতে এসেছি। আমাকে আপনারা নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন।

তিনি বলেন, আমার বাবা আজীবন আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে গেছেন। বাবার মতো আমিও আপনাদের সেবা করে মরতে চাই।

এ সময় সকলের কাছে ‘শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী’ হিসেবে নৌকা মার্কায় ভোট ভিক্ষা করেন এবং কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। প্রার্থীর কান্নায় উপস্থিত নেতা-কর্মী সাধারণ জনগণও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। উপস্থিত সকলে হাত তুলে নৌকায় ভোট দেয়ার অঙ্গীকার করেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসেদুল হক রাশেদ, সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল করের নেতৃত্বে শহরের সহ-সভাপতি এনামুল হক, আসিফুল মওলা, পরিমল বড়ুয়া্, সাইফুল ইসলাম, সেলিম নেওয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মেহেদী রহমান, প্রচার সম্পাদক এবি ছিদ্দিক খোকন, আতিক উল্লাহ কোং, মিজানুর রহমান, সাহাবউদ্দিন, ইউসুফ বাবুল, ওয়াহিদ মুরাদ সুমন, জিয়াউল্লাহসহ ১৩টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সম্পাদক, শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী, শহরের আহবায়ক শাহেদুল আলম রানা, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহিদ সেরেনিয়াবাদ, জেলা সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল, চকরিয়া সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাউচার উদ্দিন কচির, রামু সভাপতি রিয়াজুল করিম, সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, উখিয়া সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, শহর যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক ডালিম বড়ুয়া, আসাদ উল্লাহ সিআইপি, শাহেদ মো এমরান, সদর সভাপতি ইফতেকার উদ্দিন পুতু, মহেশখালী আহবায়ক সাজেদুল করিম, যুগ্ম আহবায়ক শেখ কামাল, জেলা যুবলীগ কুতুব উদ্দিন, আনোয়ার করিম, চকরিয়া পৌর সভাপতি হাসাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সোহেল, জেলা যুবলীগ নেতা বাহাদুর ইসলাম বাবুল, মোনাফ সিকদার, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা ওলামা লীগের সভাপতি নুরুল আলম সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রহিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি শম্ভুনাথ, একরামুল হুদা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, নুর আল হেলাল, প্রচার সম্পাদক জয়নার আবেদিন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ মোস্তফা, কৃষি সম্পাদক জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী, সমাজকল্যাণ কুতুব রানা, আনছার হোসেন, শহর সহ-সভাপতি মো.আজিজ, বাবুল হোসাইন রনি, মো.শাহাদত হোছাইন, সাংগঠনিক মোহাম্মদ আলী মুন্না, সহ-সাংগঠনিক মো.আলী ছোট, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ, প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তারেক হোসাইন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, জিয়াউল হক শাহেদ ও শহরের ওয়ার্ড সমুহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ।

এতে কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলরের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহেনা আকতার পাখি, ইয়াছমিন আকতার, আকতার কামাল, মিজানুর রহমান, দিদারুল ইসলাম রুবেল, সাহাব উদ্দিন সিকদার, হেলাল উদ্দিন কবির, সালাউদ্দিন সেতু প্রমুখ।