কক্সবাজারে অভিনেতা সব্যসাচী

ফেলুদাখ্যাত টলিউড অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী গতকাল রাতে ঢাকায় এসেছেন। আর মঙ্গলবার সকালের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার গিয়ে পৌঁছেছেন বরেণ্য এই অভিনেতা। তবে ব্যক্তিগত সফরে নয়, এবার এসেছেন শুটিংয়ের কাজে।

আজ থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে ‘গণ্ডি’ ছবির দৃশ্যধারণ শুরু হবে। এতে বাংলাদেশের সুবর্ণা মুস্তাফা, অপর্ণা ঘোষ ও মাজনুন মিজানের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন কলকাতার এই অভিনেতা।

ছবির নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন খান দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে জানান, ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে আজ সকালে কক্সবাজার গিয়ে গেছেন কলকাতার গুণী অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী ও বাংলাদেশের একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই ছবির কাহিনী এগিয়েছে মূলত ৫৫ ও ৬৫ বছর বয়সী দু’জন নারী-পুরুষের গল্প নিয়ে। অবসরে থাকা দু’জন নারী-পুরুষের বন্ধুত্ব কেমন হয়, পরিবার এবং আশপাশের মানুষ তা কীভাবে নেয়, তা-ই গল্পে তুলে ধরা হবে।

‘গণ্ডি’ ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে সব্যসাচী চক্রবর্তী বলেন, ‘ফাখরুল আরেফীন খানের ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে, আমি আনন্দিত। বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশে এসে ভালো লাগছে। এখানকার মানুষেরা এত আন্তরিক, প্রতি মুহূর্তেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছি। আমার এ সম্মান প্রাপ্য কিনা তাতে আমার সন্দেহ আছে। বাংলাদেশে এর আগেও বহুবার এসেছি। তবে এবারই প্রথম কক্সবাজার এলাম। দারুণ একটা জায়গা। মনে হচ্ছে, আবারও এখানে আসতে হবে।’

সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ‘ছবির গল্পটি ভালো বলেই, এতে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি। পাশাপাশি ছবিতে আমার সহশিল্পী পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। তিনি দারুণ একজন অভিনেতা। আশা করি, দর্শকদের দারুণ কিছু উপহার দিতে পারবো।’

‘গন্ডি’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন আমান রেজা, পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি। এছাড়াও ছবির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন লন্ডনে বসবাসরত বাঙালিকন্যা ফিওনা।

নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন খান আরও জানান, মূলত তিন জায়াগায় ‘গণ্ডি’র শুটিং হবে। এ তালিকায় আছে লন্ডন, কক্সবাজার ও ঢাকা। গত বছর শেষ দিকে, লন্ডনের বিভিন্ স্থানে ছবির শুটিং করা হয়। এবার কক্সবাজার হবে এর দ্বিতীয় লটের কাজ। আর আগস্টে এর শুটিং হবে ঢাকায়। ছবিটি ২০২০ সালের শুরুর দিকে মুক্তি পাবে।