‘আল মাহমুদ চেতনার কবি, প্রেরণার বাতিঘর’ শীর্ষক আলোচনা করলো ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ

‘আল মাহমুদ চেতনার কবি, প্রেরণার বাতিঘর’ শীর্ষক আলোচনা করলো ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ

“আল মাহমুদ চেতনার কবি, প্রেরণার বাতিঘর” শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ।

দেশের অন্যতম প্রধান কবি মরহুম আল মাহমুদ স্মরণে শনিবার (২৩ মার্চ) বাদে মাগরিব কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় আলোচকরা বলেন, কবি আল মাহমুদের কবিতা বাংলাদেশের হৃদয় থেকে বেড়ে উঠা বৃক্ষের মতো। যে বৃক্ষের ফুলে-ফলে লেগে আছে এদেশের মাটি ও মানুষের ঘ্রান।

তারা বলেন, কবি আল মাহমুদ মাটি, মানুষ, মানবতা, নৈতিক মূল্যবোধ, নদী-প্রকৃতি, শিশুচিত্ত নানা বিষয়ে লিখেছেন অবিরাম। তিনি আদর্শিক চেতনার কবি ও প্রেরণার বাতিঘর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

স্বীয় মেধা-প্রতিভা দিয়ে তিনি মাতৃভাষা- মাতৃভূমির কল্যাণ, ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন ও সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে যে মৌলিক সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন তা প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, তরুণ ইসলামিক স্কলার মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা নুরুল হক চকোরীর সভাপতিত্বে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কাজী মোহাম্মদ এরশাদুল্লাহ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সৈকত সম্পাদক মাহবুবর রহমান, দৈনিক ইনকিলাবের বিশেষ সংবাদদাতা ও কক্সবাজার ব্যুরো চীফ শামসুল হক শারেক, জেলা হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াছিন হাবিব, জেলার সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হোসেন আযাদ, মমতাজ উদ্দীন বাহারী, নুরুল ইসলাম হেলালী, কক্সবাজার ভিশন ডটকম সম্পাদক আনছার হোসেন, দৈনিক হিমছড়ি সম্পাদক হাসানুর রশিদ, গোলাম আজম খান, সিবিএনের বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, সাংবাদিক এএইচ সেলিম উল্লাহ, তরুণ আলিম এড. মাওলানা রিদওয়ানুল কাবির, মাওলানা জায়নুল আবেদীন, কক্সবাজার পরিবেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফোরামের প্রধান পরিচালক মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া, সংগঠনের নির্বাহী সদস্য তরুণ লেখক হাফেজ সাইফুল ইসলাম, সংগঠক মুহাম্মদ দিদারুল আলম প্রমুখ।

সভা শেষে মরহুম কবি আল মাহমুদ ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মাওলানা আব্দুচ্ছালাম কুদছী রহ.’র রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।