টেকনাফ স্থলবন্দরে ফেব্রুয়ারিতে সাড়ে ১৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

টেকনাফ স্থলবন্দরে ফেব্রুয়ারিতে সাড়ে ১৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের সীমান্ত বাণিজ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাড়ে ১৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। ওই মাসে মিয়ানমার পণ্য কাঠ আমদানি বন্ধ থাকলেও টার্গেটের চেয়ে রাজস্ব আদায় বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছে শুল্ক বিভাগ।

স্থল বন্দরের শুল্ক বিভাগ জানায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ৩২০টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৩ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই ষ্টেশনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক ওই মাসে ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

এতে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি করা হয়েছে ৪৪ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকার।

অপরদিকে ৪৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ৫১ লাখ ৮০ হাজার টাকার পণ্য মিয়ানমারে রপ্তানি করা হয়েছে।

এছাড়াও শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ৯৬০টি গরু, ৮৫১টি মহিষ আমদানি করা হয়েছে। এতে ১৪ লাখ ৫ হাজার ৫ শত টাকা রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়।

টেকনাফে স্থল বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাশ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দেয়। এমনকি এক পর্যায়ে মাসিক টার্গেট পূরণ নিয়েও সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি এখনো কাঠ আমদানি বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমার থেকে প্রতিমাসে বিপুল পরিমাণ কাঠ আমদানি করা হয়।

গত জানুয়ারিতে কাঠ আমদানি করে ২ কোটি ৭২ লাখ টাকার মতো রাজস্ব আদায় হয়েছে।

তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা আদায়ও সম্ভব হয়েছে। তবে সীমান্ত বাণিজ্যকে আরো গতিশীল করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।